গত বছর ৪৩ টি-টোয়েন্টিতে ৬.৭৮ ইকোনমি রেটে ৫৯ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ। জাতীয় দলের জার্সিতে ২০ ম্যাচ খেলেছেন বাঁহাতি এই পেসার। যেখানে ৬.০৯ ইকোনমি রেটে ২৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের পাশাপাশি ঢাকা ক্যাপিটালস, রংপুর রাইডার্স, দিল্লি ক্যাপিটালস ও দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছিলেন। বছরের শুরুটা করেছিলেন ঢাকার হয়ে বিপিএল খেলে।
ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে ১২ ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়েছিলেন তারকা পেসার। পরবর্তীতে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও (আইপিএল) সুযোগ মেলে তাঁর। দিল্লির জার্সিতে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। তবে বছরের শেষটা দারুণ হয়েছে তাঁর। প্রথমবারের মতো ইন্টারন্যাশনাল লিগ টোয়েন্টি খেলেছেন মুস্তাফিজ। দুবাইয়ের অন্যতম সেরা বোলারও ছিলেন তিনি। ৮ ম্যাচে বাংলাদেশের পেসারের শিকার ছিল ১৫ উইকেট।
আইএল টি-টোয়েন্টি শেষ করে এসে বিপিএলে যোগ দেন মুস্তাফিজুর। রংপুরের হয়ে গত বছর মাত্র একটি ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন তিনি। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ৩৪ রান খরচায় এক উইকেট নিয়েছিলেন। পুরো বছরে অন্তত ১৫০ ওভার বোলিং করেছেন এমন বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো বোলিং গড় (১৮.০৩) মুস্তাফিজের। বাংলাদেশের পেসারের ধারেকাছে নেই কেউই।
মিতব্যয়ী বোলিংয়েও সবার উপরেই ছিলেন মুস্তাফিজ শুধুমাত্র স্ট্রাইক রেটেই বাঁহাতি পেসারের চেয়ে ভালো ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের জেসস হোল্ডার। পেস বোলিংয়ে মুস্তাফিজের সঙ্গে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন হোল্ডার (৯৭ উইকেট ও ৮৪৬ রান), ইংল্যান্ডের স্যাম কারান (৫১ উইকেট ও ১ হাজার ৫২১ রান) এবং নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফি (৫৮ উইকেট)।
স্পিন বিভাগে সুনিল নারিনের সঙ্গে আছেন ভারতের বরুণ চক্রবর্তী। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি দলের প্রয়োজনে অফ স্পিন করতে পারেন সাউথ আফ্রিকার ডনোভান ফেরেইরা। ব্যাটিংয়ে ওপেনিংয়ের জন্য বেছে নেয়া হয়েছে অভিষেক ও শর্মা ও ফিল সল্টকে। এ ছাড়া ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ও টিম ডেভিডও আছেন উইজডেনের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে।
উইজডেন ওয়েবসাইটের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দল— অভিষেক শর্মা, ফিল সল্ট, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, স্যাম কারান, ডনোভান ফেরেইরা, টিম ডেভিড, সুনিল নারিন, জেসন হোল্ডার, জ্যাকব ডাফি, মুস্তাফিজুর রহমান এবং বরুণ চক্রবর্তী।