স্কোয়াডে থাকা পাঁচজন ক্রিকেটার টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায় রয়েছেন। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা অ্যালিস ক্যাপসি, টিলি কোর্টিন-কলম্যান ও ম্যাডি ভিলিয়ার্স প্রথমবারের মতো সাদা পোশাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নামার সুযোগ পেতে পারেন। এছাড়া গ্রেস পটস ও এলি থ্রেলকেল্ড এখনো ইংল্যান্ডের হয়ে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেননি।
ইংল্যান্ড নারী ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্লেয়ার কনর এই ম্যাচকে নারী ক্রিকেটের জন্য একটি বিশেষ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।
তিনি বলেন,'ন্যাট সিভার-ব্রান্টের নেতৃত্বে আমরা লর্ডসে আরেকটি ঐতিহাসিক উপলক্ষের জন্য শক্তিশালী টেস্ট দল নির্বাচন করেছি। নারী ক্রিকেটে টেস্ট ম্যাচ খুবই বিরল এবং একই সঙ্গে দারুণ চ্যালেঞ্জিং একটি অভিজ্ঞতা। এই সংস্করণে ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটা খেলোয়াড়দের জন্য গর্বের বিষয়।'
কনর আরও বলেন, 'যে ১১ জন ক্রিকেটার লর্ডসে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের হয়ে টেস্ট খেলার সুযোগ পাবে, তাদের জন্য এটি হবে উপভোগ করার মতো এক স্মরণীয় মুহূর্ত।'
সম্প্রতি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সময় কাফে চোট পেলেও সিভার-ব্রান্টকে অধিনায়ক হিসেবে রাখা হয়েছে। এটি হবে তার ক্যারিয়ারের ১৩তম টেস্ট ম্যাচ। অন্যদিকে দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ টেস্ট ক্রিকেটার হেদার নাইট খেলবেন নিজের ১৫তম টেস্ট।
ইংল্যান্ড নারী দলের সর্বশেষ টেস্ট ম্যাচ ছিল ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নারী অ্যাশেজ সিরিজে। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে পরাজিত হয়েছিল ইংলিশরা।
ইংল্যান্ড নারী টেস্ট দল: ন্যাট সিভার-ব্রান্ট (অধিনায়ক), ট্যামি বোমন্ট, লরেন বেল, মাইয়া বুশিয়ের, অ্যালিস ক্যাপসি, টিলি কোর্টিন-কলম্যান, সোফি একলেস্টোন, লরেন ফাইলার, অ্যামি জোন্স, হেদার নাইট, এমা ল্যাম্ব, গ্রেস পটস, এলি থ্রেলকেল্ড, ম্যাডি ভিলিয়ার্স ও ইসি ওং।