বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া জানিয়েছেন, এত অল্প বয়সে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া ক্রিকেটার খুবই বিরল। সেই কারণেই বৈভবের জন্য আলাদা ভাবনা-চিন্তা করা হয়েছে। বোর্ডের বিশ্বাস, পরিচিত পরিবেশের মানুষ পাশে থাকলে নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে তার সুবিধা হবে।
সাইকিয়া বলেন, 'জাতীয় দলের মতো পরিবেশে ১৪ বা ১৫ বছর বয়সী ক্রিকেটার খুব কমই দেখা যায়। বহু বছর পর বৈভবের মতো একজন ক্রিকেটার এসেছে। এত কম বয়সে জাতীয় দলে এলে স্বাভাবিকভাবেই নানা ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।'
তিনি আরও বলেন, 'দলের প্রায় সবাই প্রাপ্তবয়স্ক। খেলোয়াড় থেকে শুরু করে ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরাও বয়সে বড়। তাই তাকে স্বস্তিতে রাখতে এবং নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সহায়তা করার জন্যই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'
সম্প্রতি ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে জাতীয় দলে জায়গা করে নেন বৈভব। ব্যাট হাতে ধারাবাহিক সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের স্বীকৃতিও পেয়েছেন তিনি। বর্তমানে শ্রীলঙ্কায় ভারত ‘এ’ দলের হয়ে খেলছেন এই তরুণ ক্রিকেটার।
শ্রীলঙ্কা সফরেই এক ম্যাচে প্রতিপক্ষের এক ক্রিকেটারের সঙ্গে মাঠে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে জড়িয়ে পড়েন বৈভব। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হলেও বিসিসিআই কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার কথা ভাবছে না বলে জানিয়েছেন সাইকিয়া।
'মাঠের ঘটনায় সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়িত্ব ম্যাচ পর্যবেক্ষক ও আম্পায়ারদের। এ বিষয়ে বোর্ডের কোনো ভূমিকা নেই। যা ঘটেছে, তা খেলারই অংশ। প্রয়োজন হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাই ব্যবস্থা নেবেন।'