গত কয়েক মাস ধরে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারছে না পাকিস্তান। লিডসে ইনিংসে ব্যবধানে হারের পর লর্ডসে সফরকারীরা হেরেছে ১৯৪ রানে। এমন হারের পর স্কোয়াড ও টিম ম্যানেজমেন্টে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে পিসিবি। তৃতীয় টেস্টে আগে সাতজনকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে তারা। তাদের পরিবর্তে দলে জায়গা দেওয়া হয়েছে নতুন পাঁচজনকে।
ক্রিকেটারদের পাশাপাশি কোচিং প্যানেলেও পরিবর্তন করা হয়েছে। গত এপ্রিলে পাকিস্তান টেস্ট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পাওয়া সরফরাজ আহমেদকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পেস বোলিং কোচ উমর গুলকেও রাখা হচ্ছে না তৃতীয় টেস্টে। তাদের বদলে প্রধান কোচের দায়িত্ব সামলাবেন হেসন ও বোলিং কোচ অ্যাশলি নফ।
লর্ডস টেস্টের পর বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের মধ্যে আছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, সালমান আলী আঘা ও ইমাম উল হকের মতো ক্রিকেটাররা। পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি, শুধু পারফরম্যান্স নয় বরং আচরণত সমস্যার কারণে দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ভেতরে আসলে কী ধরনের সমস্যা হয়েছে সেটা খুঁজে বের করতে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিসিবি।
এ প্রসঙ্গে পিসিবির মিডিয়া ডিরেক্টর আমির মীর বলেন, ‘শৃঙ্খলা ও আচরণ সংক্রান্ত গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পিসিবি একটি অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা তদন্ত শুরু করেছে, যা বর্তমানে অভ্যন্তরীণভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পিসিবি নিজেদের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী এসব তদন্ত পরিচালনাকরে থাকে। পুরো প্রক্রিয়াটি পিসিবির নিয়মের ভেতরে থেকেই হচ্ছে।’
অভ্যন্তরীণ তদন্তটি নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে হচ্ছে কিনা সেটা এখনো জানা যায়নি। এমনকি কবে নাগাদ তদন্তের ফল পাওয়া যাবে বা অভিযোগ প্রমাণিত হলে সম্ভাব্য কী ধরনের শাস্তি হতে পারে সেটাও এখনো স্পষ্ট নয়। দেশে ফেরত পাঠানো ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ইংল্যান্ডে থাকা ক্রিকেটারদেরও এই তদন্তের আওতায় আনা হবে কিনা সেটা নিশ্চিত নয়।