তিনি প্রধান কোচ ব্র্যান্ডন ম্যাককালামের সঙ্গে কাজ করবেন। চলতি মাসের শেষদিকে শ্রীলঙ্কা সফরে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। আসন্ন এই সিরিজ দিয়েই ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে যাত্রা শুরু হচ্ছে তার। আসন্ন এইন সফরে তিনটি করে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে খেলবে ইংল্যান্ড।
এর আগে আইপিএলে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা আছে পিটারসেনের। তিনি দিল্লি ক্যাপিটালসের মেন্টন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৩ সালের শুরুতে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের আগে ইংল্যান্ডের ওয়ানডে দলের সঙ্গে সীমিত সময়ের জন্য কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তার।
ইংল্যান্ডের হয়ে আবারও কাজ করার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত পিটারসেন। তিনি বলেছেন, ‘সাউথ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে এই দলের যাত্রায় সাহায্য করার সুযোগ পেয়ে আমি ভীষণ গর্বিত। ২০১৪ সালের পর আবার ইংল্যান্ডের পোশাক পরা আমার জন্য গভীর সম্মানের এবং অত্যন্ত বিশেষ একটি মুহূর্ত।’
পিটারসেন আরও বলেন, ‘আমাদের সাদা বলের দলে অসাধারণ প্রতিভা রয়েছে। এই খেলোয়াড়দের সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করে তাদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা বের করে আনতে আমি মুখিয়ে আছি। আগামী ১২ মাস ব্রেন্ডনের থিংকট্যাংকের অংশ হতে পারা দারুণ একটি সুযোগ। কাজ শুরু করার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না।’
পিটারসেনকে নিজের কোচিং স্টাফে পেয়ে উচ্ছ্বসিত ম্যাককালাম। ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ বলেছেন, ‘কেপি (কেভিন পিটারসেন) এবং ক্রিকেটে তার অর্জনের প্রতি আমার অসীম শ্রদ্ধা রয়েছে। ইংলিশ ক্রিকেটে তার অসাধারণ প্রভাব রয়েছে। তার মতো অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও মর্যাদাসম্পন্ন একজন এই দলের সঙ্গে কাজ করতে চাওয়াটা দারুণ ব্যাপার।’