আবদুল্লাহর সেঞ্চুরিতে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিশাল সংগ্রহ

গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফি
আবদুল্লাহ, ক্রিকফ্রেঞ্জি
আবদুল্লাহ, ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ইনিংসের ছন্দটা ঠিক করে দিয়েছিলেন ওপেনার আদিল। তার শুরুর ঝড় এরপর অব্যাহত রাখেন আবদুল্লাহ ও রিজান হোসেন। স্বীকৃত ক্রিকেটে নিজের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে বিশাল সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন আবদুল্লাহ। রিজানও পান ফিফটির দেখা। শেষদিকে আহরার আমিন পিয়ানের দ্রুতগতির ফিফটি ও মাহফুজুর রাব্বির ক্যামিওতে নিজেদের রানকে সাড়ে তিনশর কাছাকাছি নিয়ে যায় অনূর্ধ্ব -২৩।

মিরপুর শের এ বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামা অনূর্ধ্ব-২৩ দলে ভালো সূচনা এনে দেন ওপেনার আদিল। চতুর্থ ওভারেই আগের ম্যাচের নায়ক আজিজুল হাকিম তামিম ফিরে গেলেও অন্যপ্রান্তে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলেন আদিল। ৮ বলে ৫ রান করেন তামিম। অন্যদিকে তিন ছক্কা ও দুই চারে ৩১ বলে ৪০ রান করার পর আফিপ হাসান লিখনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন আদিল।

এরপর কালাম সিদ্দিকী অ্যালিন কোনো রান না করেই সাজঘরে ফিরলে ৬১ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। তবে, চতুর্থ উইকেটে ১৫৬ রানের বিশাল জুটি গড়ে সব চাপ উড়িয়ে দেন রিজান ও আবদুল্লাহ। অনূর্ধ্ব-১৭ এর বোলারদের অসহায় বানিয়ে ফিফটির দেখা পেয়ে যান দুইজনই।

দলীয় ২১৭ রানে ইমরান ভূঁইয়ার বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে রিজান আউট হলে ভাঙে সেই জুটি। ৯৩ বলে দুই ছক্কা ও ৫ চারে ৭৬ রান করেন রিজান। কিন্তু অন্যপ্রান্তে তখনও অবিচল আগ্রাসী আবদুল্লাহ। ৯১ তম বলে বাউন্ডারি মেরে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ৯৩ বলে দুই ছক্কা ও ১১ চারে ১০১ রান করে ইফতেখারের শিকার হন তিনি।

আবদুল্লাহ আউট হবার পর দলের হাল ধরেন পিয়ান। লোয়ার মিডল অর্ডারে পিয়ানকে দারুণ সঙ্গ দেন দেবাশীষ ও রাব্বি। দেবাশীষ ১৮ বলে ২৭ ও রাব্বি ৯ বলে ২২ রানের ক্যামিও খেলে আউট হন। অন্যপ্রান্তে ৪০ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন পিয়ান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩৪৫ রানে থামে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। অনূর্ধ্ব-১৭ এর হয়ে মোহাম্মদ মাজেদুল ও ইফতেখার দুইটি করে এবং ফরহাদ আহমেদ, লিখন ও ইমরান একটি করে উইকেট নেন।

আরো পড়ুন: