সাউথ আফ্রিকার বোর্ডের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তি না থাকলেও ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ডাক পেয়েছেন মিলার। ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সবশেষ ওয়ানডে খেলেছিলেন তিনি। ২০২৭ সালে সাউথ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়েতে হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগামী আসর। সেই টুর্নামেন্টকে ভাবনায় রেখেই মিলারকে ফিরিয়েছে প্রোটিয়ারা।
সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাউথ আফ্রিকার দলে ছিলেন কেন্দ্রীয় চুক্তিতে না থাকা কুইন্টন ডি কক। তবে জাতীয় দলের হয়ে শেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ভারতের বিপক্ষে। কয়েক মাস পর ওয়ানডে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন বাঁহাতি উইকেটকিপারও। তাদের দুজনের সঙ্গে সাউথ আফ্রিকার ওয়ানডে দলে ফিরেছেন জেরাল্ড কোয়েতজে।
২০২৩ বিশ্বকাপের পর থেকে সাউথ আফ্রিকার জার্সিতে ওয়ানডে খেলার সুযোগ হয়নি কোয়েতজের। তবে কাটিয়ে প্রায় তিন বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরেছেন তিনি। ফেরার আগে সাউথ আফ্রিকা ‘এ’ দলের হয়ে ইংল্যান্ড লায়ন্স ও বাংলাদেশ ‘এ’ দলের বিপক্ষে খেলেছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার। চোটের কারণে কাগিসো রাবাদা না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে তাকে।
কোয়েতজের সঙ্গে পেস বোলিং ইউনিটে আছেন মার্কো জানসেন, লুঙ্গি এনগিদি, কর্বিন বশ, ওটিনেইল বার্টম্যান এবং কিউনা মাফাকা। স্পিনে কেশভ মহারাজের সঙ্গে আছেন বিজর্ন ফরটুইন। তবে দলের প্রয়োজনে অফ স্পিন করতে পারেন এইডেন মার্করাম। ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে সাউথ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে সিরিজ।
সাউথ আফ্রিকার ওয়ানডে দল— টেম্বা বাভুমা, ওটিনেইল বার্টম্যান, কর্বিন বশ, ম্যাথু ব্রিটজকি, জেরাল্ড কোয়েতজি, কুইন্টন ডি কক, টনি ডি জর্জি, বিজর্ন ফরটুইন, মার্কো জানসেন, কেশভ মহারাজ, কিউনা মাফাকা, এইডেন মার্করাম, ডেভিড মিলার, লুঙ্গি এনগিদি, রায়ান রিকেলটন এবং ট্রিস্টিয়ান স্টাবস।