চলতি বছরের ৭ ফ্রেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলেছিলেন নাওয়াজ। সেই ম্যাচের পর নিয়মিত ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়েছিলেন তিনি। তবুও পাকিস্তানের হয়ে সাত ম্যাচের সবকটিতে খেলেছিলেন ৩২ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার। পুরো টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে ১৫ রান করার পাশাপাশি নিয়েছিলেন সাত উইকেট।
ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে না পারায় বিশ্বকাপের সুপার এইট থেকেই বিদায় নিতে হয় পাকিস্তানকে। ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় নাওয়াজের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এদিকে আইসিসি জানিয়েছে, নিজের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন নাওয়াজ।
ডোপ টেস্টের পরীক্ষায় তার শরীরে কার্বক্সি-টিএইচসি নিষিদ্ধ ড্রাগের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যদিও পাকিস্তানের অলরাউন্ডার প্রমাণ করতে পেরেছেন নিষিদ্ধ ড্রাগটি তিনি খেলার বাইরে ব্যবহার করেছিলেন এবং সেটার সঙ্গে খেলার বাড়তি সুবিধা নেওয়ার কোনো সম্পর্ক ছিল না। এমন অবস্থায় তাকে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা দেয় আইসিসি।
অপরাধ স্বীকার করায় তাকে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যা কার্যকর ধরা হবে ২০২৬ সালের ১ মে থেকে—যেদিন তিনি নিজ থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা মেনে নিয়েছিলেন। পুনর্বাসন কর্মসূচি সম্পন্ন করলে তার এই শাস্তি কমে দাঁড়াবে এক মাসে। শাস্তি মেনে নেওয়া ও পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায়, আড়াই মাস সাময়িক নিষেধাজ্ঞা কাটানোর পর নওয়াজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।
আইসিসির নির্দেশনা অনুযায়ী পুনর্বাসন কর্মসূচি পুরোপুরি শেষ করলে তাকে আর নতুন করে কোনো নিষেধাজ্ঞা ভোগ করতে হবে না। তবে আইসিসির ডোপিং বিরোধী আইন অনুযায়ী, গত ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচটিসহ ১ মে পর্যন্ত খেলা সব ম্যাচে নওয়াজের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।