প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচক কমিটির দুই সদস্য বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে নিজেদের ভূমিকা বেশি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরছেন। তাদের দাবি, তারা দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই ভারতীয় ক্রিকেটের সাফল্য বেড়েছে। তবে গম্ভীর ও আগারকারের মতে, এই দুই নির্বাচক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সক্রিয়তা দেখাচ্ছেন এবং দলের সাফল্যের কৃতিত্ব নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা করছেন।
যদিও প্রতিবেদনে ওই দুই নির্বাচকের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দল ব্যর্থ হলে তারা নিজেদের দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন। আবার দল ভালো ফল করলেই কৃতিত্ব নেওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে আসছেন। একই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জিম্বাবুয়ে সফরে সাঞ্জু স্যামসনকে দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তেও নির্বাচক কমিটির সব সদস্য একমত ছিলেন না।
ভারতের বর্তমান নির্বাচক কমিটির প্রধান অজিত আগারকার। তার সঙ্গে রয়েছেন প্রজ্ঞান ওঝা, আরপি সিং, শিবসুন্দর দাস ও অজয় রাতরা। তবে বোর্ড কর্মকর্তাদের কাছে কারা নিজেদের ভূমিকা বাড়িয়ে তুলে ধরছেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে সাবেক ক্রিকেটার দিনেশ কার্তিক জানিয়েছিলেন, প্রধান কোচ ও প্রধান নির্বাচকের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে। তার মতে, সেই কারণেই ভারতীয় দল পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছে না। তার এই মন্তব্য নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়।
তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে গম্ভীর ও আগারকারের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি নাকচ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও এগিয়ে যাওয়ার পথ নিয়ে দুজনের মধ্যে মতৈক্য রয়েছে। বরং নির্বাচক কমিটির ভেতরের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়েই তাদের অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনের দাবি।