ক৩৭ বছর বয়সী অফস্পিনার হার্মারকে বছরের সেরা টেস্ট ক্রিকেটার নির্বাচিত করা হয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বিবেচ্য সময়ে তিনি মাত্র চার টেস্টে ৩০ উইকেট শিকার করেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে আট উইকেট নিয়ে সিরিজ ড্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পর ভারতের বিপক্ষে কলকাতা ও গৌহাটিতে যথাক্রমে ৫১ রানে ৮ উইকেট ও ১০১ রানে ৯ উইকেট শিকার করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে স্মরণীয় সিরিজ জয়ে নেতৃত্ব দেন।
পুরুষদের বিভাগে সবচেয়ে বড় সম্মান পেয়েছেন এইডেন মার্করাম। তিনি জিতেছেন ‘বর্ষসেরা পুরুষ ক্রিকেটার’ এবং ‘পুরুষ ক্রিকেটারদের ভোটে বর্ষসেরা ক্রিকেটার’ দুটি পুরস্কারই। গত মৌসুমে তার নেতৃত্বেই দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শিরোপা জেতে।
লুঙ্গি এনগিডি জিতেছেন ‘বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার’ এবং ‘ভক্তদের ভোটে বর্ষসেরা ক্রিকেটার’ পুরস্কার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জস বাটলারকে আউট করা তার বলটি নির্বাচিত হয়েছে বছরের সেরা ডেলিভারি হিসেবে।
ওয়ানডেতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে বর্ষসেরা ওয়ানডে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের পুরস্কার পেয়েছেন ম্যাথিউ ব্রিটজকে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বর্ষসেরা নবাগত হয়েছেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ও কাইলা রেইনেকে।
এসএ২০ লিগে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কুইন্টন ডি কক জিতেছেন ‘ব্যাটার অব দ্য সিজন’ এবং ‘বেটওয়ে এসএ২০ এমভিপি’ পুরস্কার। সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করে ‘বোলার অব দ্য সিজন’ হয়েছেন অটনিল বার্টম্যান। আর ‘রাইজিং স্টার অব দ্য সিজন’ নির্বাচিত হয়েছেন জর্ডান হারম্যান।
অন্যদিকে নারী ক্রিকেটে আধিপত্য বজায় রেখেছেন লরা উলভার্ট। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক জিতেছেন ‘বর্ষসেরা নারী ক্রিকেটার’, ‘নারী ক্রিকেটারদের ভোটে বর্ষসেরা নারী ক্রিকেটার’ এবং ‘বর্ষসেরা নারী ওয়ানডে ক্রিকেটার’ এই তিনটি পুরস্কার। ২০২৫ নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে ৫৭১ রান করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন তিনি। গড় ছিল ৭১.৩৭, আর সেঞ্চুরি করেন সেমিফাইনাল ও ফাইনাল দুই ম্যাচেই। এরপর নিউজিল্যান্ড সফরের ওয়ানডে সিরিজ এবং ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ব্যাট হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচে ৩৩০ রান করে সিরিজসেরার পুরস্কারও জেতেন।
ঘরোয়া ক্রিকেটে পুরুষ ও নারী বিভাগের ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’ হয়েছেন যথাক্রমে কাইল সিমন্ডস ও মিগনন ডু প্রিজ। এছাড়া কোচিংয়ে অবদানের জন্য সম্মানিত হয়েছেন রবিন পিটারসন, জেপি ট্রিয়েগার্ট ও স্যান্ডিলে মাসেঙ্গেমি।
মাঠের বাইরের অবদানও স্বীকৃতি দিয়েছে সিএসএ। আর্নো জ্যাকবস হয়েছেন ‘আম্পায়ারদের ভোটে বর্ষসেরা আম্পায়ার’, লুবাবালো গকুমা জিতেছেন ‘বর্ষসেরা আম্পায়ার’ পুরস্কার এবং সিনালো জাফতা পেয়েছেন ‘মাখায়া এনটিনি পাওয়ার অব ক্রিকেট অ্যাওয়ার্ড’।