আহমেদাবাদে ফাইনালে দাপুটে জয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে ভারত। রবিবারের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ২৫৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ভারত। পরে প্রতিপক্ষকে গুটিয়ে দিয়ে ৯৬ রানের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নেয় তারা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে দলটি।
দলের সেই বড় সংগ্রহে প্রধান ভূমিকা ছিল স্যামসনের ব্যাটে। ৪৬ বলে পাঁচ চার ও আট ছক্কায় ৮৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। ম্যাচ শেষে গম্ভীর বলেন, 'সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমার আর অধিনায়কের কখনোই মনে হয়নি সাঞ্জু ফর্মে নেই। নিউ জিল্যান্ড সিরিজের পর আমরা ভেবেছিলাম তার একটু বিশ্রাম দরকার।'
ফাইনালের আগেও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে দলের ভরসা হয়ে ওঠেন স্যামসন। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রানবন্যার ম্যাচে তার ব্যাট থেকেই আসে আরেকটি ৮৯ রানের ইনিংস। তার আগে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৯৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েছিলেন তিনি। টানা তিন ম্যাচে পঞ্চাশের বেশি রান করে শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কারও জিতে নেন।
তবে টুর্নামেন্টের শুরুটা তার জন্য ছিল হতাশার। ভারতের প্রথম পাঁচ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একবার সুযোগ পেয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। পরে সুপার এইটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আবার একাদশে ফেরানো হয় তাকে। সেই ম্যাচে বড় রান না এলেও পরের তিন ম্যাচে তিনি হয়ে ওঠেন দলের জয়ের অন্যতম কারিগর।
গম্ভীরের মতে, স্যামসনকে দলে ফেরানোটা মূলত ছিল কৌশলগত সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, 'এটা সাহসিকতার চেয়ে কৌশলগত পরিবর্তন ছিল। মাঝে মাঝে কাউকে বিশ্রাম দিলে সে চাপ থেকে দূরে থাকতে পারে, মাথা পরিষ্কার করে নতুনভাবে ফিরে আসতে পারে।'