রান দেখলে অনেকে হয়তো বলবেন, সেঞ্চুরির সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। কিন্তু স্যামসনের চোখে ছবিটা পুরোপুরিই ভিন্ন। সুপার এইটের শেষ ম্যাচ (কার্যত কোয়ার্টার ফাইনাল) এবং সেমিফাইনাল, দুই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই দলের জয়ে বড় অবদান রাখতে পারায় সন্তুষ্ট তিনি। ম্যাচসেরা হওয়াও যোগ করেছে তৃপ্তি।
সেমিফাইনালের পর সংবাদ সম্মেলনে স্যামসন বলেন, 'দুটি সেঞ্চুরি হারাইনি, বরং ৯৭ ও ৮৯ রান করেছি, বিশাল ব্যাপার…! যে রানই করতে পারছি, যা করছি, তাতেই আমি খুশি। আমার দেশের জয়ে অবদান রাখতে পেরেই খুব খুশি।'
রোববার কোয়ার্টার ফাইনালে রূপ নেওয়া ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫০ বলে অপরাজিত ৯৭ রানে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন তিনি। আর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪২ বলে ৮৯ রান করে দলকে বড় স্কোরের পথে নিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত সাত রানের রোমাঞ্চকর জয়ে ফাইনালে ওঠে ভারত।
শতরান না পাওয়ার প্রসঙ্গে স্যামসন বলেন, 'মোটেও না (আক্ষেপ নেই)। সত্যি বলতে, সেঞ্চুরি করা যায় না, এটা প্রক্রিয়ার পথ ধরে হয়ে যায়। এটা টেস্ট বা ওয়ানডে নয়, যেখানে সময় নেওয়া যায়। টি-টোয়েন্টিতে শুরুটা করতে পারলে শুধু ছুটে যেতেই হয়।'
এই ইনিংসটি অবশ্য থেমে যেতে পারত ১৫ রানেই। মিড অনে সহজ একটি ক্যাচ ছেড়ে দেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। তবে এটিকে খেলায় স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবেই দেখছেন স্যামসন।
তিনি বলেন, 'অতীতে অনেক সময়ই দুর্ভাগ্যের শিকার হয়েছি। কখনও কখনও সৌভাগ্যও পাশে থাকে। সুযোগটা পেয়েছি, সেটাকে কাজে লাগাতে পেরে ভালো লাগছে।'
'সত্যি বলতে, জানতাম যে গত ম্যাচ থেকে ফর্ম আমার সঙ্গী, কাজেই সেটা ধরে রাখতে চেয়েছি। দেশের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে ফর্ম পাওয়া সহজ নয়। আমার মনে হয়েছে, বড় ম্যাচে এই ফর্ম যতটা সম্ভব কাজে লাগাতে হবে। এজন্য নিজেকে সময় দিয়েছি, হিসাব করে ইনিংস গড়েছি। প্রস্তুতি খুব ভালো ছিল এবং সবকিছু ঠিকঠাক হয়েছে।'