টুর্নামেন্টে সাত ম্যাচ খেলে অভিষেকের সংগ্রহ মাত্র ৮০ রান। গড় ১২.৭১, স্ট্রাইক রেট ১৩০.৮৮, যা তার ক্যারিয়ারের স্বাভাবিক স্ট্রাইক রেটের তুলনায় কম। বিশ্বকাপের আগে তাকে ঘিরে বড় প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। এমনকি সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক রিকি পন্টিংসহ অনেকেই মনে করেছিলেন, এই টুর্নামেন্টে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন ভারতের এই ওপেনার।
তবে ধারাবাহিকভাবে রান না পাওয়ায় অভিষেককে নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে ভারতীয় দলে। এই প্রসঙ্গে গাভাস্কার বলেন, 'খুবই কঠিন সিদ্ধান্ত… আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ব্যাটসম্যান অভিষেক। তবে সে ভুল থেকে শিক্ষা নেয়নি। সে বারবার একই জায়গায় আউট হচ্ছে, জায়গা বের করে হাত খুলতে পারছে না।'
গাভাস্কারের মতে, ফাইনালে ওপেনিং কম্বিনেশনেও পরিবর্তন আনা যেতে পারে। তিনি নতুনভাবে ব্যাটিং লাইনআপ সাজানোর পরামর্শ দিয়েছেন, 'আমি দেখতে চাইব, সাঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে ইনিংস শুরু করবে ইশান কিশান। একাদশে ঢুকবে রিঙ্কু সিং। রিঙ্কুর বিশ্বাসটা আছে… কখনও কখনও তার মতো ক্রিকেটারদের জন্য এসব কাজে লেগে যায়।'
বোলিং বিভাগেও পরিবর্তনের কথা বলেছেন ভারতের এই সাবেক অধিনায়ক। গ্রুপ পর্বে ভালো করলেও সুপার এইট থেকে ধারাবাহিকভাবে রান খরচ করছেন বরুণ। সেমিফাইনালেও চার ওভারে ৬৪ রান দিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে খরুচে স্পেল করেছেন তিনি।
এই কারণে ফাইনালে অন্য বিকল্প ভাবার পরামর্শ দিয়েছেন গাভাস্কার, 'আরেকটি যে বদল আমি বিবেচনা করব, সেটা হলো কুলদীপ যাদবকে দলে আনা। বরুণ চক্রবর্তীর আত্মবিশ্বাস আপাতত চুরমার হয়ে গেছে বলেই মনে হচ্ছে। নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের মতো মাঠে কুলদিপ ভালো বিকল্প হতে পারে, কারণ নিষ্প্রাণ উইকেটেও সে বল ঘোরাতে পারে।'