৪ মার্চ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে প্রথম সেমিফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ডের। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৩ রান করে জিম্বাবুয়ে। সেই লক্ষ্য ১৩ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে গেছে সাউথ আফ্রিকা। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেছেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। পাশাপাশি ২১ বলে ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন জর্জ লিন্ডে।
১৫৪ রানের লক্ষ্য খুব বড় না হলেও শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি সাউথ আফ্রিকার। পাওয়ার প্লের মধ্যেই ধসে পড়ে তাদের টপ অর্ডার। ৫.৫ ওভারে ৪৩ রানের মধ্যে তারা ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে প্রোটিয়ারা। দুই ওপেনার এইডেন মার্করাম ও কুইন্টন ডি কককে দ্রুত ফিরিয়ে দেন সিকান্দার রাজা। মার্করাম ৪ রান করলেও ডি কক রানের খাতা খুলতেই পারেননি। আরেক টপ অর্ডার ব্যাটার রায়ান রিকেলটন ২২ বলে করেন ৩১ রান।
দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর ইনিংস প্রোটিয়াদের ইনিংস টানেন ডেভিড মিলার ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ২৫ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে সাউথ আফ্রিকাকে ম্যাচে ফেরান তারা। তবে জমে ওঠা জুটিটা বেশিক্ষণ টেকেনি। ১১তম ওভারের চতুর্থ বলে রাজাকে তুলে মারতে গিয়ে আকাশে বল তুলে দেন ব্রেভিস। লং অন থেকে দৌড়ে এসে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন রায়ান বার্ল।
১৮ বলে ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ব্রেভিস করেন ৪২ রান। কিছুক্ষণ পর বিদায় নেন মিলারও। তার ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। তখন ১০.৪ ওভারে ৫ উইকেটে ১০১ রান সাউথ আফ্রিকার। এরপর আর বিপদ বাড়তে দেননি ট্রিস্টিয়ান স্টাবস ও জর্জ লিন্ডে। ষষ্ঠ উইকেটে ৪৪ বলে অবিচ্ছিন্ন ৫৩ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তারা।
দল হারলেও ম্যাচসেরা হয়েছেন রাজা। ব্যাট হাতে ৪৩ বলে ৮টি চার ও ৪টি ছক্কায় করেন ৭৩ রান। বল হাতেও ছিলেন দারুণ কার্যকর। ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে তুলে নেন ৩ উইকেট। এর আগে টস জিতে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৩ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। প্রোটিয়াদের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন কিউনা মাফাকা ও করবিন বশ। একটি করে উইকেট পান অ্যানরিখ নরকিয়া, লুঙ্গি এনগিদি এবং লিন্ডে।