ক্রিকেটার থাকাকালীনই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের হয়ে নির্বাচন করেছিলেন সাকিব। মাস ছয়েকের জন্য দায়িত্ব পালন করেছেন সংসদ সদস্য হিসেবেও। তবে সরকার পতনের পর বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়কের নামে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে, গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে। তবে ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট বেশিরভাগ মানুষের দাবি, সাকিবের নামে করা মামলাগুলো ভিত্তিহীন। কারণ ওই সময় বিদেশের মাটিতে লিগ খেলায় ব্যস্ত ছিলেন তিনি।
পাশাপাশি সাকিব হত্যার মতো কাজ করতে পারেন এমনটা বিশ্বাস করেন না কেউই। একটা সময় সাকিবকে নিয়ে প্রশ্ন করতেই এড়িয়ে যেতেন বোর্ড পরিচালকরা। কয়েক মাস তো সাকিবের প্লেকার্ড নিয়ে মাঠেও ঢুকতে দেওয়া হয়নি সমর্থকদের। তবে চলতি বছর হুট করেই সাকিবকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। যার অংশ হিসেবে সাকিবের মামলার কাগজপত্র কয়েক দিন আগে মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে তারা। বাকিটা এখন সরকারের হাতে। সাকিব ফিরলে অধিনায়কের কাজ সহজ হবে বলে জানান মিরাজ।
সাকিবের ফেরা নিয়ে মিরাজ বলেন, ‘সাকিব ভাইয়ের ইস্যুটা সম্পূর্ণটা আমরা সবাই জানি। সাকিব ভাই থাকলে তো একজন অধিনায়কের জন্য সহজ হয়ে যায়, টিম কম্বিনেশনের ক্ষেত্রে। যেহেতু ক্রিকেট বোর্ডের সাথে আলোচনা চলছে, ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্ত। এর আগেও আপনারা শুনেছেন যে সাকিব ভাইয়ের ব্যাপারে সবাই পজিটিভ আছে। আমার কাছে মনে হয় যে প্রক্রিয়াগুলো আছে সেগুলো যদি সবাই ভালোভাবে হ্যান্ডেল করতে পারি তাহলে জিনিসটা সহজ হয়ে যাবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটার (সাকিবের আসার) সিদ্ধান্ত তো পুরোপুরি ক্রিকেট বোর্ডের। আমার কাছে মনে হয় যদি ইস্যুটা সমাধান করে তাহলে উনার জন্য খেলাটা সহজ হয়ে যাবে। অধিনায়ক হিসেবে এরকম একজন খেলোয়াড় যদি দলে থাকে এটা আমাদের জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।’
চলতি বছরের শুরুতে বিসিবির বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় পাকিস্তান সিরিজেই তাকে ফেরানো হবে। আগামী ১১ মার্চ থেকে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় পাকিস্তান সিরিজে তাঁর ফেরার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। হত্যা মামলা থেকে খালাস যদিও পেয়ে যান তখন অন্যান্য মামলাগুলো সামাল দিতে হবে। কারণ সাকিবের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে কারসাজির মামলাও আছে।