উসমানকে নেটে খেলতেও কষ্ট হয় সালমানদের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
উসমান তারিকের বোলিং কতটা ধাঁধায় ফেলে দিতে পারে, ম্যাচেই তার প্রমাণ মিলছে প্রতিনিয়মিত। বৈচিত্র, গতি বদল আর অস্বাভাবিক ডেলিভারি স্ট্রাইড- সবমিলিয়ে ব্যাটারদের জন্য তাকে পড়া কঠিন হয়ে উঠছে। পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আঘাও জানালেন, শুধু ম্যাচ নয়, নেট অনুশীলনেও এই রহস্য স্পিনারকে সামলানো সহজ নয়।

নামিবিয়ার বিপক্ষে সুপার এইট নিশ্চিত করার ম্যাচে ১৬ রানে চার উইকেট নেন উসমান। এটি তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং। ছয় ম্যাচের সংক্ষিপ্ত আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো চার উইকেট শিকার করলেন তিনি। বিশ্বকাপের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন, এবার মাঠে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটছে ধারাবাহিকভাবে।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক সালমান বলেন, 'বিশ্বাস করুন, তাকে খেলা খুব কঠিন। এমনকি নেটে খেলাও কঠিন। ঘরোয়া ক্রিকেটে যখনই তাকে খেলেছি, খুবই কঠিন লেগেছে আমার। সে যখন ওভাবে থেমে যায়, তখন তাকে পড়া আরও কঠিন হয়ে ওঠে।'

আধুনিক রহস্য স্পিনারদের মতো ক্যারম বল, গুগলি ও গতির বৈচিত্র আছে তারিকের। তবে আলাদা করে চোখে পড়ে তার অ্যাকশন—রান-আপ শেষে ডেলিভারির আগে কয়েক সেকেন্ড থেমে যাওয়া, এরপর লো-আর্ম বা সাইড-আর্ম ভঙ্গিতে বল ছেড়ে দেয়া। ফ্লাইট ও ক্রিজের ব্যবহারও তার অস্ত্রভাণ্ডারের অংশ। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম তিন ম্যাচেই ৯ উইকেট নিয়ে জানান দেন বড় মঞ্চের জন্য প্রস্তুতির কথা।

বিশ্বকাপে শুরুতে একাদশে জায়গা না পেলেও সুযোগ পেয়ে ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন। ভারতের বিপক্ষে চার ওভারে মাত্র ২৪ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট। নামিবিয়ার ম্যাচে নিজেকে ছাড়িয়ে যান। ছয় ম্যাচে তার উইকেট এখন ১৬টি। বোলিং গড় ৭.৯৩ এবং ইকোনমি ৫.৭২- দুটিই নজরকাড়া।

সালমান আরো বলেন, 'আমি খুবই খুশি যে সে আমাদের হয়ে খেলছে। যেভাবে বোলিং করছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট। আশা করি, টুর্নামেন্টের আসল সময়টাতেও সে এভাবেই বোলিং করে যাবে এবং আমাদের আরও ম্যাচ জেতাবে।'

আরো পড়ুন: