সাহিবজাদা সেঞ্চুরির সঙ্গে সালমান আলী আঘার ক্যামিওতে ১৯৯ রানের পুঁজি পায় পাকিস্তান। দুইশ রান তাড়ায় শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে নামিবিয়া। শাদাব, উসমান তারিকদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে নামিবিয়াকে ৯৭ রানে গুঁড়িয়ে ১০২ রানের জয় পেয়েছে পাকিস্তান। এমন জয়ে বিশ্বকাপের সুপার এইটে জায়গা করে নিয়েছেন সালমান-বাবর আজমরা। সুপার এইটে ২ নম্বর গ্রুপে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। গ্রুপ ওয়ানে খেলবে ভারত, সাউথ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে।
রান তাড়ায় শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় নামিবিয়া। শাদাব, উসমান, মোহাম্মদ নাওয়াজদের ঘূর্ণিতে মাত্র ৯৭ রানে অল আউট হয়েছে তারা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেছেন লরেন। এ ছাড়া ২০ রান করেছেন আলেকজান্দার। পাকিস্তানের হয়ে ১৬ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন উসমান তারিক। লেগ স্পিনার শাদাব পেয়েছেন তিনটি।
কলম্বোতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। সাইম আইয়ুব ১২ বলে ১৪ রান করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। অধিনায়ক সালমান ২৩ বলে ৩৮ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন। খাজা নাফে পাঁচ বলে পাঁচ রান করে আউট হন। তবে অন্য প্রান্তে স্থির ছিলেন ওপেনার সাহিবজাদা।
৩৭ বলে ফিফটি ছোঁয়ার পর রান তোলার গতি আরও বাড়ান সাহিবজাদা। পরের ২০ বলেই তুলে নেন সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ৫৮ বলে ১১ চার ও চারটি ছক্কায় ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করলেন ডানহাতি ওপেনার। ২০১৪ বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করেছিলেন আহমেদ শেহজাদ।
মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে অপরাজিত ১১১ রান করেছিলেন তিনি। এ ছাড়া চলতি বিশ্বকাপে এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি। এর আগে সেঞ্চুরি করেছেন শ্রীলঙ্কার পাথুম নিসাঙ্কা ও কানাডার যুবরাজ সিং সামরা। শেষদিকে শাদাব খান ২২ বলে ৩৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললে পাকিস্তানের সংগ্রহ দুইশ'র কাছাকাছি পৌঁছে যায়। নামিবিয়ার হয়ে জ্যাক ব্রাসেল দুটি উইকেট নিলেও খরচ করেন ৪৮ রান।