কঠিন কন্ডিশনে ব্যাটিং করতে ভালোবাসি: দুবে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
মন্থর শুরু হয়েছিল শিভম দুবের। প্রথম ১১ বলে করেন মাত্র ৬ রান। তবে সেটি যেন ছিল ঝড়ের আগের নীরবতা! ক্রিজে থিতু হওয়ার পর বদলে যায় চিত্র। বড় শট খেলতে শুরু করেন তিনি, ভারতকে নিয়ে যান দুইশ রানের কাছাকাছি। পরে বল হাতেও রাখেন অবদান।

আহমেদাবাদে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ১৭ রানে হারিয়েছে ভারত। টানা চার জয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করল সুরিয়াকুমার যাদবের দল। ব্যাটিংয়ের শেষভাগে গতি বাড়ানোই ছিল ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেওয়া মুহূর্ত।

পঞ্চম ওভারে নেমে শেষ পর্যন্ত উইকেটে ছিলেন দুবে। ৩১ বলে ৬৬ রান করেন তিনি, ইনিংসে ছিল ছয়টি ছক্কা ও চারটি চার। শেষ আট ওভারে ভারত তোলে ১০৪ রান, যার বড় অংশই আসে তার ব্যাট থেকে।

ম্যাচ শেষে দুবে বলেন, 'আমি জানতাম বোলাররা আমাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে এবং স্লোয়ার বল করবে। তাই আমি নিজেকে প্রস্তুত রেখেছিলাম।'

১৩তম ওভারে কলিন অ্যাকারম্যানকে ছক্কা মেরে গতি বাড়ান দুবে। ১৭তম ওভারে লোগান ফন বিককে দুই ছক্কার পর চার মেরে ২৫ বলে স্পর্শ করেন পঞ্চাশ। ২০তম ওভারের প্রথম বলেও একই বোলারকে ছক্কা মারেন, পরের চেষ্টায় সীমানায় ধরা পড়েন।

দুবে বলেন, 'কোচ ও অধিনায়ক বলেছিলেন, আমাকে স্ট্রাইক রেট বেশি রাখতে হবে। তবে সেটা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। শুরুতে আমি সেটা পারিনি।'

ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বল হাতেও অবদান রাখেন ৩২ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার। সপ্তম বোলার হিসেবে এসে তিন ওভারে ৩৫ রান দিয়ে নেন দুই উইকেট। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটি তার চতুর্থ ম্যাচসেরা পুরস্কার, বিশ্বকাপে প্রথম।

নিজের ইনিংস নিয়ে তিনি আরো বলেন, 'কন্ডিশন একটু কঠিন ছিল। এই পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে আমি ভালোবাসি। বল স্কিড করছিল এবং নিচুও হচ্ছিল। আমি জানতাম, আমি মারতে পারব, তবে পরিস্থিতির দাবি ছিল ভিন্ন। আমি বাউন্ডারি মারার চেষ্টা করি এবং ছক্কা হাঁকানো উপভোগ করেছি।'

আরো পড়ুন: