হ্যাজেলউডের ছিটকে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার জন্য আরও বড় আঘাত। কেননা এর আগে প্যাট কামিন্সও টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ২০২৫ সালে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন হ্যাজেলউড।
আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে শিরোপা জেতাতে বড় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সাউথ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল ছিলেন তিনি।
তবে পুরো গ্রীষ্মজুড়েই চোট তাকে ভুগিয়েছে। নির্বাচক টনি ডোডেমেইড বলেন, 'আমরা আশা করেছিলাম সুপার এইট পর্বের মধ্যে জশ পুরোপুরি ম্যাচ ফিট হয়ে উঠবে। কিন্তু সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সে এখনও অনেকটা পিছিয়ে আছে এবং তাড়াহুড়ো করলে ঝুঁকি খুব বেশি।'
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে জানুয়ারিতে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন হ্যাজেলউড নিজেও। তিনি বলেছিলেন, 'সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোচ্ছে।' তবে শেষ পর্যন্ত তিনি দলের সঙ্গে কলম্বো সফরেও যাননি এবং সিডনিতে থেকেই প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
অস্ট্রেলিয়া আপাতত তার পরিবর্তে কাউকে দলে নিচ্ছে না। দলে রিজার্ভ হিসেবে থাকা শন অ্যাবট অবশ্য একটি বিকল্প হতে পারেন। এ বিষয়ে ডোডেমেইড বলেন, 'প্রথম কয়েকটি ম্যাচের জন্য আমাদের কাভার যথেষ্ট আছে। পরে প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।'
২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর এই প্রথম কোনো আইসিসি টুর্নামেন্টে অস্ট্রেলিয়া খেলতে যাচ্ছে, যেখানে হ্যাজেলউড, কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, স্টিভেন স্মিথ বা ডেভিড ওয়ার্নারের কেউই দলে নেই।