তানজিদ ৮ বলে ১৭ রান করে ফিরলেও দ্বিতীয় উইকেটে সাইফ ও লিটন দাস মিলে দলকে এগিয়ে নেন। দুজনে মিলে যোগ করেন ৭৮ রান। হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ৩০ বলে ৫০ রান করে ফেরেন সাইফ। এরপর লিটন ও পারভেজ হোসেন ইমন মিলে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন। ইমন শেষদিকে আউট হয়েছেন ৬ বলে ৬ রান করে। তাওহীদ হৃদয়ও শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেননি। অবশ্য লিটন ৪৩ বলে ৬৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন। একাই তিনটি উইকেট নেন এসএম মেহরব আর একটি উইকেট পান রিপন মন্ডল।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ধুমকেতুর বিপক্ষে ভালোই শুরু করেছিল দুরন্ত। ওপেনিং জুটিতে মাহফিজুল রবিন ও জিসান আলম যোগ করেন ৩১ রান। তবে তানজিম হাসান সাকিব জিসানকে ফিরিয়ে দিলে ভাঙে সেই জুটি। দ্বিতীয় উইকেটে আজিজুল হাকিমকে সঙ্গে নিয়ে রবিন ৩৬ রানের আরেকটি জুটি গড়েন। যদিও ৩৭ বলে হওয়া এই জুটিতে রান ওঠে ধীরগতিতে। আজিজুল হাকিম তামিম আউট হলে ভাঙে এই জুটি।
দলীয় ৭৫ রানে ৩৬ বলে ৩৯ রান করা রবিন ফিরে গেলে চাপ বাড়তে থাকে দুরন্তের ওপর। পরের দুই রানের ব্যবধানে বিদায় নেন আরিফুল ইসলামও। মাঝের ওভারে অধিনায়ক আকবর আলী ও এসএম মেহরব কিছুটা দ্রুত রান তুললেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। আকবর ১০ বলে ১ চার ও ১ ছক্কায় করেন ১৮ রান, সমান বলে মেহরব করেন ১৫। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও সুবিধা করতে পারেননি।
ভালো শুরুর পর একপর্যায়ে ১১৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে দুরন্ত। সেখান থেকে ইনিংসকে কিছুটা এগিয়ে নেন জাওয়াদ আবরার ও আব্দুল গফফার সাকলাইন। অষ্টম উইকেটে তারা গড়েন ১৯ বলে ২৪ রানের জুটি, যা দলীয় স্কোরকে পৌঁছে দেয় ১৪৩ রানে।
এই ম্যাচে ৮ নম্বরে নেমে দেশের ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়েছেন জাওয়াদ আবরার। তিনিই দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম ‘ইমপ্যাক্ট খেলোয়াড়’। চলমান অদম্য টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে এই নিয়ম। আবরার ৮ বলে ১০ এবং সাকলাইন ১৫ বলে ১৫ রান করেন। শেষ পর্যন্ত এক বল হাতে রেখেই দুরন্তের ইনিংস থামে ১৪৩ রানে।
বোলিংয়ে লিটন দাসের দলের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিশাদ হোসেন। ৪ ওভার বোলিং করে ২১ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। তানজিম হাসান সাকিব ও শরিফুল ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট।