টিকিট কেটে রাখা আছে, আমরা শ্রীলঙ্কা যাচ্ছি: সূর্যকুমার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
সংবাদ সম্মেলনে সূর্যকুমার যাদব, এএফপি
সংবাদ সম্মেলনে সূর্যকুমার যাদব, এএফপি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ। ভারতে যেতে রাজি না হওয়ায় ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলও (আইসিসি) বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভূক্ত করেছে। এবার বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত।

সূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের। তবে ম্যাচটি খেলবে না পাকিস্তান। তারা আগেই এই ঘোষণা দিয়েছে। মূলত বাংলাদেশের সঙ্গে হওয়া অবিচারের প্রতিবাদ স্বরূপ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। তবে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব জানিয়েছেন তারা পাকিস্তান ম্যাচের জন্য ঠিকই শ্রীলঙ্কায় যাবেন।

সেই পরিকল্পনা নিয়েই বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) ভারতের ক্রিকেটারদের টিকিট কেটে রেখেছে বলেও নিশ্চিত করেছেন সূর্যকুমার। এবারের বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। এর মধ্যে পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কায়। ফলে ভারত আয়োজক হলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে তাদের শ্রীলঙ্কায় যেতে হচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা গিয়ে সূর্যকুমার বলেন, 'আমাদের মানসিকতা একদম পরিষ্কার। আমরা কখনোই ম্যাচ না খেলার কথা বলিনি। এই কথা এসেছে অন্য পক্ষ থেকে। আইসিসি অফিসিয়াল সূচি দিয়েছে। বিসিসিআই ও ভারত সরকার আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করে নিরপেক্ষ ভেন্যু ঠিক করেছে। আমাদের কলম্বোর ফ্লাইট বুক করা আছে। তাই আমরা নিশ্চিতভাবেই যাচ্ছি। দলের আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়েছে ৭ ফেব্রুয়ারি আমাদের প্রথম ম্যাচ খেলেই আমরা সেখানে যাব।'

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ আবারও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার অবস্থান নিশ্চিত করেছেন। অবশ্য পাকিস্তানকে ভারতের বিপক্ষে খেলার জন্য রাজি করাতে এখনও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আইসিসি। অবশ্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি বিসিসিআই বা আইসিসি।

শেহবাজ শরীফের বক্তব্যের পর এএনআইয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন বিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা। তবে তিনি বিষয়টি আইসিসির ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'এই বিষয়ে (শেহবাজ শরিফের বক্তব্য) বিসিসিআইয়ের কিছু বলার নেই। আইসিসিকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আইসিসি যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা সেটাই অনুসরণ করব।'

আরো পড়ুন: