এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন ভারতের দুই সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ কাইফ ও সঞ্জয় মাঞ্জরেকার। তাদের মতে, একজন ক্রিকেটারের পূর্ণ বিকাশের জন্য ফিল্ডিংও সমান গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ব্যাটিংয়ে সীমাবদ্ধ থাকলে উন্নতির একটি বড় জায়গা অপূর্ণ থেকে যায়।
তবে ট্রেভর পেনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বৈভবের ফিটনেস বা ফিল্ডিং দক্ষতা নিয়ে দলের কোনো সন্দেহ নেই। রাজস্থানের সহকারী কোচ বলেন, 'বৈভব খুব ভালো ফিল্ডার। দারুণ ক্যাচ ধরতে পারে। ঝাঁপিয়ে পড়ে বল বাঁচাতেও পারে। অনুমানক্ষমতাও ভালো।'
পেনির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বৈভবকে ফিল্ডিংয়ে না নামানোর পেছনে মূল কারণ কৌশলগত। তিনি বলেন, 'ও ওপেন করে বলেই দ্বিতীয় ইনিংসে যেন পুরোপুরি সতেজ থাকতে পারে, সেই চিন্তা থেকেই তাকে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।'
রাজস্থানের এই কোচ মনে করেন, সব সময় একই পরিকল্পনা কার্যকর হয় না। ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত বদলাতেও হয়। বৈভবের ফিটনেস নিয়েও ওঠা প্রশ্ন উড়িয়ে দিয়েছেন পেনি। তার দাবি, দৌড় কিংবা শারীরিক সক্ষমতায় কোনো ঘাটতি নেই এই তরুণের।
তিনি বলেন, 'কখনও কখনও ওর চেয়ে সামান্য ভালো ফিল্ডার মাঠে নামালে দলের বেশি লাভ হয়। তবে আমাদের মূল লক্ষ্য থাকে ব্যাটিংয়ের সময় বৈভবকে সতেজ রাখা। রান নেওয়ার সময় বৈভব খুব দ্রুত দৌড়াতে পারে। তবে ওর খুব বেশি এক-দুই রান নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।'
সবশেষে বৈভবের মানসিকতা নিয়েও প্রশংসা করেছেন পেনি। তার মতে, দলের প্রয়োজনে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হতে প্রস্তুত থাকে এই ব্যাটার। আগের ম্যাচের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, 'দলকে জেতানোর জন্য প্রথম বল থেকেই খেলতে প্রস্তুত ছিল সে।'