২৬৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমের উইকেট হারায় প্রাইম ব্যাংক। ১৭ বলে ৯ রান করে এনামুল হক আশিকের শিকার হন তামিম। ইনিংস বড় করতে পারেননি ফর্মে থাকা ওপেনার শাহাদাত হোসেন দীপুও। ৪৭ বলে তিন চারে ২৭ রানের ইনিংস খেলে আব্দুল গাফফার সাকলাইনের বলে কাভারে আহরার আমিনের হাতে ধরা পড়েন দীপু।
তিন নম্বরে নামা তামিম একপ্রান্তে প্রাইম ব্যাংকের হাল ধরেন। আকবর আলী, রিজান হোসেনরা ছোট ছোট জুটি গড়েন তামিমের সঙ্গে। এক পর্যায়ে তিন উইকেটে ১৪২ রান নিয়ে জয়ের পথেই ছিল তারা। কিন্তু তখনই ঘটে কিছুটা ছন্দপতন। অল্প বিরতিতে রিজান ও তামিমের উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে প্রাইম ব্যাংক। ৯৮ বলে তিন ছক্কা ও ছয়টি চারব ৯৫ রানের ইনিংস খেলে আশিকের বলে মিড অনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তামিম। একই ওভারে অলরাউন্ডার আবু হায়দার রনিও ফিরে গেলে জয়ের সম্ভাবনা ফিঁকে হয়ে যায় প্রাইম ব্যাংকের।
তবে তখনও প্রাইম ব্যাংকের আশার আলো হয়ে টিকে ছিলেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। দলীয় ২২৫ রানে আশিকের বলে থার্ড ম্যানে ক্যাচ দিয়ে পাটোয়ারী আউট হলে প্রায় শেষ হয়ে যায় তাদের জয়ের সম্ভাবনা। ৩৯ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় ৩০ রান করেন শামীম। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৪৭ রানে থামে প্রাইম ব্যাংকের ইনিংস। সিটি ক্লাবের হয়ে আশিক পাঁচ উইকেট নেন। এছাড়া এনাম, সাকলাইন ও নিহাদউজ্জামান একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে পিকেএসপির দুই নম্বর মাঠে টস হেরে ব্যাট করতে নামে সিটি ক্লাব। ওপেনার সাদিক অর্ধশতক করে এক প্রান্ত আগলে রাখলেও তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউক। প্রাইম ব্যাংকের বোলারদের বোলিং তোপে ৪৬ রানেই চার উইকেট হারায় সিটি ক্লাব। সাদিক ৫৮ রানে ফেরার পর ষষ্ঠ উইকেটে ১১১ রানের জুটি গড়েন এনাম ও শাকিল। ৯৭ বলে পাঁচ ছক্কা ও ছয়টি চারে ১০৩ রানে অপরাজিত থাকেন এনাম।
অন্যদিকে ৭০ বলে দুইটি ছক্কা ও চারটি চারে ৫৫ রান করে রনির শিকার হন শাকিল। শেষদিকে সাকলাইন ১১ বলে ২৩ রানের ক্যামিও খেললে সাত উইকেটে ২৬৬ রানে থামে সিটি ক্লাবের ইনিংস। প্রাইম ব্যাংকের হয়ে মেহেদী হাসান দুইটি এবং রনি, আলিস আল ইসলাম, তামিম, শামীম ও শামীম মিয়া একটি করে উইকেট নেন।