মাকে হারানো মুকেশকে ম্যাচ উৎসর্গ করল চেন্নাই

আইপিএল
চেন্নাইয়ের জার্সিতে মুকেশ চৌধুরী
চেন্নাইয়ের জার্সিতে মুকেশ চৌধুরী
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে সাঞ্জু স্যামসনের সেঞ্চুরিতে ভর করে ৬ উইকেটে ২০৭ রান সংগ্রহ করে চেন্নাই সুপার কিংস। এরপর তারা মুম্বাইকে ১০৪ রানে অল আউট করে দিয়ে ১০৩ রানের বিশাল জয় নিশ্চিত করে। এই ম্যাচে ৩১ রান খরচায় ১ উইকেট নেন মুকেশ চৌধুরী।

যদিও তার মাঠে নামা সহজ ছিল না। গত মঙ্গলবার মাকে হারিয়েছেন মুকেশ। এরপর বৃহস্পতিবারই চেন্নাইয়ের হয়ে খেলতে মাঠে নামেন তিনি। মুম্বাইয়ের বিপক্ষে জয়টি মুকেশকেই উৎসর্গ করেছেন চেন্নাই অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়। দলের প্রয়োজনে মা হারানোর শোক নিয়েই মাঠে নেমে পড়েন মুকেশ। তাই তার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছেন চেন্নাই অধিনায়ক।

ম্যাচ শেষে রুতুরাজ বলেন, ‘ওর জন্য বিষয়টা খুব কঠিন ছিল। আমি এই জয়টা ওকে উৎসর্গ করতে চাই। এমন দুঃখের পরিস্থিতি থেকে ফিরে এসে খেলতে মানসিকভাবে অনেক শক্তি লাগে। সে দলের জন্য ফিরে এসেছে, জানত আমরা তাকে প্রয়োজন। সব কৃতিত্ব ওর। আমরা আগেও কথা বলেছিলাম, আমরা ম্যাচটা জিততে চেয়েছিলাম এবং ভালো লাগছে সবাই অবদান রেখেছে ওর পাশে দাঁড়াতে।’

এদিন নিজের পঞ্চম বলেই তিনি বিপজ্জনক কুইন্টন ডি কককে ৭ রানে বোল্ড করেন মুকেশ। এদিকে রুতুরাজ জানান, ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের উইকেটে ব্যাটিং সহজ ছিল না। তিনি ইনিংস বড় হওয়ার পেছনে কার্তিক শর্মা ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের ছোটো কিন্তু কার্যকরী ইনিংসের ভূমিকা দেখছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি আর সাঞ্জু মনে করেছি বল ঠিকভাবে আসছিল না। যাই হোক, ২০০ থেকে ২১০ ভালো স্কোর হতো। আকিল হোসেন বোলিংয়ে আসায় অনেক সুবিধা হয়েছে, সবাই দারুণ অবদান রেখেছে। কার্তিক শর্মা আর ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের ২০ রানের ইনিংসগুলো খুব কাজে দিয়েছে, এতে গতি বজায় ছিল এবং সাঞ্জু অসাধারণ ইনিংস খেলেছে, ৫৪ বলে ১০১ রান করে আবারও আমাদের জয়ের পথে নিয়েছে। তাকে সত্যিই ধন্যবাদ, সে দুর্দান্ত খেলছে।’

রুতুরাজ প্রশংসা করেছেন দুই স্পিনার নূর আহমেদ ও আকিল হোসেনের, দুজনে মিলে ৮ ওভারে ৪১ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়ে মুম্বাইয়ের ইনিংস ধসিয়ে দেন। ১৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন আকিল। বাকি বোলারদেরও কৃতিত্ব দিতে ভুলেননি চেন্নাই অধিনায়ক।

রুতুরাজ বলেন, ‘আমরা এমন একটি দিকে এগোচ্ছি যেখানে সব দিকই কভার করতে চাইছি। খালিল খেলেনি, কিন্তু প্রথম ওভারটা মুকেশ শুরু করে, বিশেষ করে কুইন্টনের বিপক্ষে, সেটাই আসলে গতি তৈরি করে দেয়। পাওয়ার প্লেতে সূর্য কুমার যাদব আর তিলক ভার্মার মতো ব্যাটারদের বিপক্ষে তিন ওভার বল করে সে দারুণ শুরু করেছে। আনশুল কাম্বোজ সবসময় ব্যাটারদের ধোঁকা দেয়, আর উইকেটে গতি ও বাউন্স থাকলে জেমি ওভারটন ও গুরজাপনীৎ সিং মাঝের ওভারগুলোতে আমাদের উইকেট এনে দিতে পারে।’

আরো পড়ুন: