সামনেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই বিশ্ব আসরকে সামনে রেখে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কিউইরা। মে মারের শুরুর দিকেই তারা যাবে ইংল্যান্ড সফরে। সেখানে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে তারা। এরপর বিশ্বকাপে মাঠে নামবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই নিজের শেষ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবেন বেটস।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘গত ২০ বছরেরও বেশি সময়ের দিকে ফিরে তাকালে আমার বিশ্বাসই হয় না সময় কত দ্রুত কেটে গেছে। নিউজিল্যান্ডের জার্সি এতবার গায়ে জড়াতে পেরে আমি ভীষণ গর্বিত। এই দলের জন্য প্রতিদিন একজন ভালো মানুষ, সতীর্থ, ক্রিকেটার এবং অ্যাথলেট হয়ে ওঠার চেষ্টায় আমি অপরিসীম উদ্দেশ্য আর আনন্দ খুঁজে পেয়েছি।’
বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি এরই মধ্যে নামের পাশে খোঁদাই করা আছে বেটসের। তবে বিদায়টাও আরেকটি বিশ্বকাপ দিয়ে রাঙাতে চান তিনি। বেটস বলেন, ‘আমার শেষ একটি মিশন বাকি: ইংল্যান্ডে যাওয়া, এমন একটি জায়গা যা আমার অনেক বিশেষ স্মৃতির অংশ, এবং আরেকটি বিশ্বকাপ জেতা। আমি আমার এই শেষ অভিযানে শক্তির শেষ বিন্দু পর্যন্ত উজাড় করে দেব এবং প্রতিটি মুহূর্ত উৎসর্গ করব এই দলকে এমন ক্রিকেট খেলতে সাহায্য করতে, যাতে আমরা এবং আমাদের দেশ গর্ব করতে পারে।’
২০০৩ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে বেটসের। তিন বছর পর ২০০৬ সালে শুরু হয় তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। বর্তমানে নারী টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৪ হাজার ৭১৭ রান নিয়ে তিনি সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। আর নারী ওয়ানডেতে ৫ হাজার ৯৬৪ রান নিয়ে অবস্থান করছেন চতুর্থ স্থানে। ২০১১ সালের জুলাইয়ে অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর প্রায় সাত বছর কিউইদের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ২০১৬ সালে ক্রিকেটের বাইবেল খ্যাত উইজডেনের বিশ্বসেরা নারী ক্রিকেটার নির্বাচিত হন তিনি।
বেটস সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলেছেন, ‘আমার প্রিয়জন, আমার পরিবার, সব সময় পাশে থাকার জন্য তোমাদের ধন্যবাদ এবং আমার সঙ্গী স্কটি ও সতীর্থদের বলছি, এই দারুণ খেলাটি আমার জীবনে যে সব উত্থান-পতন এনে দিয়েছে, তার প্রতিটিতেই তোমরা পাশে ছিলে। আমি সেই সব স্টাফ ও কোচদের প্রতিও বিশেষ শ্রদ্ধা জানাতে চাই, যারা বছরের পর বছর নারী ক্রিকেটের জন্য এত কিছু দিয়েছেন, অথচ অনেক ক্ষেত্রেই তেমন স্বীকৃতি বা পুরস্কার পাননি।’