আইপিএলের চেয়ে কাউন্টি খেলা উপকারী, মানতে নারাজ পিটারসেন

আইপিএল
বিরাট কোহলি ও কেভিন পিটারসেন
বিরাট কোহলি ও কেভিন পিটারসেন
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
সর্বশেষ অ্যাশেজে সিডনিতে দারুণ এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন জ্যাকব বেথেল। সেই ফর্ম টেনে এনেছেন সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও। ভারতের বিপক্ষে ওয়ানখেড়েতেও সেঞ্চুরি হাঁকান এই ব্যাটার। ইনফর্ম এই ব্যাটার আইপিএলে ব্যস্ত। সামনেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ।

৪ জুন লর্ডসে মাঠে নামার ফাইনালে উঠতে ৩১ মে ফাইনালে খেলতে হতে পারে এই ইংলিশ ব্যাটারকে। আইপিএলে খেলে টেস্ট সিরিজের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি হবে কিনা তা নিয়ে দুইভাগে বিভক্ত ইংল্যান্ডের সাবেকরা। এ ছাড়া বেঙ্গালুরুর একাদশে এখনও খেলার সুযোগ পাননি বেথেল।

২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে ওয়ারউইক শায়ারের হয়ে তিনি খেলেছেন মাত্র একটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ। কিন্তু ইংল্যান্ডের কিংবদন্তী ব্যাটার কেভিন পিটারসেন মনে করেন, আইপিএলে সময় কাটানো কাউন্টি ক্রিকেট খেলার চেয়েও বেশি মূল্যবান। তিনি মূলত অ্যালিস্টার কুকের একটি মন্তব্যের বিপরীতে এই মন্তব্য করেছেন।

কুক বলেছিলেন 'সিডনির হয়ে বিগ ব্যাশে খেলার সময় দেখেছি, ও উপরের দিকে নেমে দ্রুত রান করছে। ও তো ওপেনও করতে পারে। আইপিএলে ও তো খেলার সুযোগই পাচ্ছে না। প্রতিভা নষ্ট হচ্ছে। তার চেয়ে কাউন্টিতে ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে ওপেন করুক। তাতে ইংল্যান্ডেরও লাভ হবে। ভবিষ্যতের ওপেনারকে পেয়ে যাব আমরা।'

এবার তাকে জবাব দিয়ে পিটারসেন বলেন, ‘বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে অনুশীলনের সুযোগ পাওয়া, তাদের খুব কাছ থেকে দেখা, সেরা কোচদের সঙ্গে কথা বলা এবং সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে আজীবনের বন্ধুত্ব গড়ে তোলা—এসবই বড় অর্জন। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে পরিচিত হয়ে ওঠা, যাতে ভবিষ্যতে ভারত সফর সহজ হয়, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। তারপরও যদি মনে করো, এপ্রিল মাসে ডার্বিতে একটি কাউন্টি ম্যাচ খেলাই তার উন্নতির জন্য বেশি উপকারী, তাহলে আমার আর কিছু বলার নেই।’

বেথেল তার প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলেন তিন নম্বরে ব্যাটিং করে, তবে কিংবদন্তি ওপেনার অ্যালিস্টার কুক ‘নিশ্চিত’ যে প্রয়োজনে এই বাঁহাতি ব্যাটার ইংল্যান্ডের হয়ে ওপেনিংও করতে পারেন। স্কাই স্পোর্টস ক্রিকেট পডকাস্টে কথা বলতে গিয়ে বেথেল নিজেও জানিয়েছেন তিনি প্রয়োজনে ওপেনিং করবেন।

তিনি বলেন, ‘এক মাস আগের তুলনায় এখন আমি নিজেকে অনেক ভালো অনুভব করছি। এখানে সতীর্থদের সঙ্গে সময় কাটানো, আর ভারত ও আইপিএলের ক্রিকেটের মান—এসবই এই উন্নতির পেছনে ভূমিকা রেখেছে। প্রতিটি নেট সেশনে তোমার দিকে শত শত চোখ থাকে—কোচ হোক বা অন্য খেলোয়াড়, সবাই তোমাকে দেখছে আর ভাবছে, ‘এই ছেলেটা ভালো কি না?’ দর্শকরাও ফোন হাতে নিয়ে তাকিয়ে থাকে। অনেক কিছুর মধ্য দিয়েই যেতে হয়।’

আরো পড়ুন: