আইপিএলের চলতি আসরের নিলাম থেকে সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার হিসেবে গ্রিনকে দলে ভেড়ায় কলকাতা। শুরুর দিকে ইনজুরির কারণে গ্রিন বোলিং করতে পারেননি। ব্যাট হাতেও গড়পড়তা ছিল ডানহাতি ব্যাটারের পারফরম্যান্স। গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ম্যাচের আগে পাঁচ ম্যাচে মোটে ৫৬ রান করেছিলেন। আহমেদাবাদে নিজের পছন্দের চার নম্বর পজিশনে ফিরে ৫৫ বলে ৭৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। চোটের কারণে বোলিং করাতে না পারলেও গ্রিনের ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ কলকাতা অধিনায়ক।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে গ্রিনের ব্যাটিং নিয়ে রাহানে বলেন, ‘ক্যামেরন গ্রিনের ইনিংসটা ছিল অসাধারণ। সে চাপের মধ্যে ছিল, কিন্তু যেভাবে সে পাল্টা আক্রমণ করেছে এবং তাদের বোলারদের সামলেছে, তা দেখার মতো ছিল। ১৪৭ রানে চার উইকেটের অবস্থায় আমাদের মতো একটি ব্যাটিং ইউনিটের জন্য প্রায় ১৮০ রান পর্যন্ত পৌঁছানো ছিল খুবই কঠিন কাজ।’
চোটের কারণে দলের প্রথম সারির পেসারদের পাচ্ছে না কলকাতা। অনভিজ্ঞ পেস বোলিং লাইনআপ নিয়ে ভুগতে হচ্ছে তিনবারের চ্যাম্পিয়নদের। এখন পর্যন্ত কলকাতার পেসারদের সম্মিলিত ইকোনমি ১১’র বেশি, যা এবারের আসরের সবচেয়ে বাজে বোলিং পরিসংখ্যান। তবুও নিজের দলের বোলারদের এখনই কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চান না রাহানে।
বোলিং ইউনিট নিয়ে নিজের মূল্যায়ন জানাতে গিয়ে রাহানে বলেন, ‘তবুও আমি আমাদের বোলারদের কৃতিত্ব দিতে চাই। যখন সবকিছু আপনার পক্ষে যাচ্ছে না, তখন সহজ থাকে না, কিন্তু তারা বারবার ফিরে এসেছে এবং কঠোর চেষ্টা চালিয়ে গেছে।’
চলতি মৌসুমে ছয় ম্যাচ খেলে পাঁচটিতে হেরেছে কলকাতা। বাকি একটি ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছে। টুর্নামেন্টে প্রথম জয়ের খোঁজে থাকা রাহানে এখনই দলের ওপর আশাহত হতে চান না। ভবিষ্যত নিয়ে খুব বেশি না ভেবে বর্তমানেই থাকতে চান কলকাতা অধিনায়ক।
রাহানে বলেন, ‘যখন আপনি ম্যাচ হারছেন, তখন হতাশ হয়ে পড়া এবং নেতিবাচক চিন্তা করা খুবই সহজ। কিন্তু আমি আমাদের দলকে নিয়ে সত্যিই গর্বিত। সবসময়ই আশা থাকে। নেতিবাচক চিন্তা করার চেয়ে ইতিবাচক থাকাই ভালো—আমি সবসময় সেটাই বিশ্বাস করি। প্রতিটি মুহূর্তে ইতিবাচক থাকা জরুরি। তবে দল হিসেবে আমাদের খুব বেশি সামনে না ভেবে বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দিতে হবে।’