প্রয়োজনে ওয়াংখেড়ের লাল মাটি আনবেন তামিম

বাংলাদেশ ক্রিকেট
ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডের (এনসিজি) কয়েকটি উইকেট বানালেও এখনো ঘরোয়া ক্রিকেট আয়োজন করতে পারেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ডিপিএল কিংবা এনসিএলের মতো টুর্নামেন্টগুলো যাতে আয়োজন করা যায় এজন্য নতুন উইকেট বানাবে তারা। ভালো উইকেট বানানোর জন্য প্রয়োজনে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের লাল মাটি আনবেন তামিম ইকবাল।

বিসিবি নির্বাচনে কারসাজির প্রমাণ পাওয়ায় কদিন আগে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ড ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এডহক কমিটি গঠন করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তামিমকে। দায়িত্ব নেওয়ার পরই ঘরোয়া ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি, বেতন বৃদ্ধি করেছে তিনি। পাশাপাশি আগামী ডিপিএলে ছয়টি ভেন্যুতে খেলানোর পরিকল্পনা করেছে তামিমের বোর্ড।

কয়েক বছর ধরে পূর্বাচলের এনসিজি স্টেডিয়ামের কাজ করছে বিসিবি। যদিও এখনো মাঠের কাজ শেষ করতে পারেনি তারা। বরং বারবার বোর্ড পরিবর্তন হওয়ায় কাজ ক্রমশই ধীরগতি হয়েছে। আগামী কয়েক বছরে স্টেডিয়ামের কাজ শেষ করতে পারবে কিনা সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে আপাতত ঘরোয়া লিগ আয়োজনের জন্য ভালো কিছু উইকেট বানাবে বিসিবি।

ডিজাইন পরিবর্তনসহ আর কী কী প্রয়োজন সেটা দেখতে এনসিজি স্টেডিয়াম পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তামিম। সেখানে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেছেন তিনি। পরিদর্শনের সময় পিচ কিউরেটর বদিউল আলম খোকনের সঙ্গে আলাপকালে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আমি বলি আপনাকে, ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের লাল মাটি যদি আমরা আনার ব্যবস্থা করতে পারি তাহলে কী করা যাবে?’

নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছিলেন, নৌকার আদলে হবে শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম। যদিও ফারুক আহমেদের বোর্ড দায়িত্ব নিয়ে জানায় পরিবর্তন করা হবে স্টেডিয়ামের নকশা। পাশাপাশি স্টেডিয়ামের নামও পরিবর্তন করা হয়। স্টেডিয়ামের ডিজাইনে আরও কিছু পরিবর্তন আনা হবে বলে জানিয়েছেন তামিম।

এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আজকে মাননীয় মন্ত্রী এসেছেন, আমরা আজকে পুরো ডিজাইনটা তাকে শো করেছি, প্রেজেন্ট করেছি। এখানে কিছু পরিবর্তন জরুরি। পরিবর্তন করব শুধু পরিবর্তন করার জন্য না। কিছু কিছু ডিজাইন পরিবর্তন করা জরুরি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘যারা আমাদের এটার ডিজাইন করেছেন তাদের সাথে আলোচনা করবো। অন্য কারোর সাথে যদি কথা বলার দরকার তাদের সাথে আলোচনা করে এনএসসি-র সাথে একসাথে মিলে, কারণ এখানে সরকারের অনেক বড় ইনভেস্টমেন্টের দরকার পড়বে যদি আমরা একটা বড় স্টেডিয়াম করতে চাই।’

আরো পড়ুন: