কলকাতার প্রথম দুই ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে একবারও বোলিং করেননি গ্রিন। দুটি ম্যাচেই হারের মুখ দেখে কলকাতা। তৃতীয় ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে মাত্র ৩.৪ ওভার খেলার পর বৃষ্টিতে ভেসে যায় ম্যাচটি। সেই ম্যাচেও ব্যর্থ ছিলেন গ্রিন।
এর আগে গত ৩০ মার্চ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানায়, ‘ক্যামেরনের নিচের পিঠে চোট রয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে, তবে কিছুদিন তাকে বোলিং থেকে বিরত থাকতে হবে। ক্যামেরন বর্তমানে ভারতে ধীরে ধীরে তার বোলিং লোড বাড়াচ্ছে এবং প্রায় ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে।’
সেই আপডেটের পর দশ দিনেরও বেশি সময় পার হয়ে যাওয়ায় আবারও বোলিং শুরু করতে পারেন গ্রিন। এমনটাই জানিয়েছে ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো। গ্রিন বোলিং করতে না পারায় কলকাতার পরিকল্পনায় বড় প্রভাব ফেলেছে, বিশেষ করে তাদের বেশ কয়েকজন মূল বোলার বিভিন্ন কারণে দলের বাইরে থাকায়।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বিসিসিআইয়ের নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে সরিয়ে দেয় কলকাতা। এ ছাড়া টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগে ইনজুরির কারণে ছিটকে যান হার্শিত রানা এবং আকাশ দীপ। এর সঙ্গে যোগ হয় সুনীল নারিনের অসুস্থতা, যার কারণে তিনি আগের ম্যাচ খেলতে পারেননি। একইভাবে হাতে চোট পেয়ে দল থেকে ছিটকে যান বরুণ চক্রবর্তী।
শুধু বোলিং নয়, ব্যাট হাতেও গ্রিনের পারফরম্যান্স আশানুরূপ হয়নি। ফলে দলে তার অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। শেষ নিলামে কলকাতা তাকে ২৫.২০ কোটি রুপিতে কিনেছিল, যা আইপিএল নিলামে কোনো বিদেশি খেলোয়াড়ের জন্য সর্বোচ্চ মূল্য। যদিও আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী তিনি সর্বোচ্চ ১৮ কোটি রুপি বেতন পাবেন। এখন পর্যন্ত তিন ইনিংসে তার সংগ্রহ ১৮, ২ এবং ৪ রান।