ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই শরিফুল ইসলামের তোপের মুখে পড়ে রাজশাহী। দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ হাসান তামিমকে আউট করেন শরিফুল ইসলাম। ভালো করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত ও জিমি নিশামও। শান্তও উইকেট দেন শরিফুলকে।
নিশাম হয়েছেন রান আউট। পঞ্চম উইকেটে রাজশাহীর হাল ধরেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও আকবর আলী। দুজনে মিলে গড়েন ৮৪ রানের জুটি। আকবর ৪৮ রান করে ফিরলে এই জুটি ভাঙে। এরপর রায়ান বার্লও ফিরে যান শূন্য রানে। চার বলের মধ্যে দুজনে হারিয়ে চাপে পড়ে রাজশাহী।
তানজিম সাকিব আউট হন ২ রান করে। আকবর আউট হন আবু হায়দার রনির শিকার হয়ে। আর বার্ল ও সাকিবকে আউট করেন শেখ মেহেদী। ফলে ম্যাচ জমে যায়। তবে সেখানে আর কোনো বিপত্তি ঘটতে দেননি মুশফিক। তিনি ও জাহানদাদ খান মিলে জিতিয়ে ফেরেন রাজশাহীকে। মুশফিক শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন।
এই ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে তানজিম হাসান সাকিব ও রায়ান বার্লদের তোপের মুখে পড়ে চট্টগ্রাম। এদিন একাই ৪ উইকেট নিয়ে চট্টগ্রামকে ধসিয়ে দেন সাকিব। তার দারুণ বোলিংয়ে চট্টগ্রাম অল আউট হয়ে যায় মাত্র ১২৫ রানে। অবশ্য মোহাম্মদ নাইম শেখকে শূন্য রানে ফিরিয়ে শুরুটা করেছিলেন জিমি নিশাম।
এরপর জাহানদাদ খান ফেরান ১৯ রান করা মাহমুদুল হাসান জয়কে। মোহাম্মদ হারিসকে ফিরিয়ে উইকেট নেয়া শুরু করেন সাকিব। এই পেসার পর্যায়ক্রমে একে একে ফিরিয়েছেন আসিফ আলী, আমের জামাল ও আবু হায়দার রনিকে। বার্ল আউট করেন হাসান নাওয়াজ ও শেখ মেহেদীকে।
ফলে আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়নি চট্টগ্রাম। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন আসিফ। সাকিব ৪ উইকেট নিতে খরচ করেন মাত্র ১৭ রান। অন্যদিকে বার্ল ২ ওভারে ১৫ রান দিয়ে নেন দুই উইকেট। পাশাপাশি ২৯ রানে ২ উইকেট জাহানদাদের।