কয়েক দিন আগেই তামিম ইকবালকে ভারতীয় দালাল বলে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন নাজমুল। সেই মন্তব্যের জন্য তাকে রিজয়েন্ডার দিতে বলা হলেও সেটা করেননি তিনি। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক, সাফল্যসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। বিসিবির সেই পরিচালকের বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সব ধরনের ক্রিকেট বর্জনের হুমকি দেন ক্রিকেটাররা।
বিপিএলের ম্যাচ শুরুর আগে পদত্যাগ করতে বলা হলেও সেটা করেননি। যার ফলে ১৫ জানুয়ারি বিপিএলের একটি ম্যাচও মাঠে গড়ায়নি। এমন পরিস্থিতিতে অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে নাজমুলকে সরিয়ে দেয় বিসিবি। তাদের এমন পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে নিজেদের অনড় অবস্থান থেকে সরে আসেন ক্রিকেটাররা। পরবর্তীতে শর্তসাপেক্ষে ক্রিকেটে ফেরেন মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্তরা।
যেখানে নাজমুলকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। এদিকে ১৫ জানুয়ারি সকালেই বিসিবির সেই পরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বিসিবির বেঁধে দেয়া সময় অনুযায়ী, ১৭ জানুয়ারি সকাল ১১ টার মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। যদিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি কোন জবাব দেননি। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নাজমুলের কোন প্রতিক্রিয়া পায়নি বিসিবি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্রিকফ্রেঞ্জিকে ফায়াজুর বলেন, ‘ঘণ্টা দুয়েক আগ পর্যন্ত আমি জবাব পাইনি। আমার সঙ্গে এখনো কথা হয়নি। একটু পর বিসিবিতে যাব এবং আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিব। তবে এখনো পর্যন্ত উনার (নাজমুল) কাছ থেকে উত্তর পাইনি।’
বিসিবির বেঁধে দেয়া সময় অনুযায়ী, ১৭ জানুয়ারি সকাল ১১ টার মধ্যে কারণ দর্শাতে হতো নাজমুলকে। নির্ধারিত সময়ে জবাব না দেয়ায় বিসিবি আলাদা করে কোন ব্যবস্থা নেবে কিনা সেটা জানতে চাওয়া হয় ডিসিপ্লিনারি কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে। ফায়াজুর জানিয়েছেন, আইনগত ব্যাপারগুলো দেখে তারপর নাজমুলের সঙ্গে কথা বলবেন তারা।
তিনি বলেন, ‘আইনগত ব্যাপারগুলো আরও একটু দেখে নিই, তারপর হয়ত সিদ্ধান্ত নিব। আমাকে এখনই রায় দিতে হবে এমন না। উনি উত্তর দেননি, সেটা নিয়ে আমরা একটু পর্যালোচনা করি। তারপর আমাদের পক্ষ থেকে আমরা কথা বলব।’