কদিন আগেই শেষ হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সেই টুর্নামেন্টে এমআই এমিরেটসের হয়ে খেলেছেন সাকিব। একই দলের জার্সিতে খেলেছেন ওয়াসিমও। একই দলের হয়ে খেলায় সাকিবের সঙ্গে মেশার সুযোগ হয়েছে তাঁর। সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়েছেন তিনি। শ্রীলঙ্কা সিরিজ খেলতে বিপিএল ছেড়েছেন সাহিবজাদা ফারহান। পাকিস্তানের ওপেনারের জায়গায় ওয়াসিমের সঙ্গে চুক্তি করেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
বিপিএলে আসবেন সেই খবর নিশ্চিত হতেই বাংলাদেশের কন্ডিশন নিয়ে সবার কাছ থেকে ধারণা নেয়ার চেষ্টা করেছেন ওয়াসিম। ৭ জানুয়ারি সিলেটে নেমে পরদিনই রাজশাহীর হয়ে খেলতে নেমেছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির হয়ে প্রথম ম্যাচে ৬০ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন ওয়াসিম। ম্যাচসেরা হওয়ার পর ডানহাতি ব্যাটারের জানালেন, সাকিবের কাছে পরামর্শ নিয়ে সেটা কাজে লাগানোর কথা।
সংবাদ সম্মেলনে ওয়াসিম বলেন, ‘সাকিব ভাই আমাদের বড় ভাইয়ের মতো। তার সঙ্গে অনেক খেলেছি আমি। বাংলাদেশকে তিনি অনেক কিছু দিয়েছেন। তিনি কিংবদন্তি, সত্যিকারের কিংবদন্তি। তার কাছ থেকে এত কিছু শিখেছি, মাঠের ভেতরে তো বটেই, মাঠের বাইরেও। তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, বাংলাদেশে কীভাবে ভালো করতে পারি। তিনি কিছু কথা বলেছেন। আজকে আমি তা কাজে লাগিয়েছি।’
২০২৪ সালে প্রথমবার বিপিএল খেলতে এসেছিলেন ওয়াসিম। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের জার্সিতে সেবার ৭ বলে করেছিলেন মাত্র ১ রান। অভিষেকের অভিজ্ঞতা ভুলে যাওয়ার মতো হলেও দ্বিতীয়বার এসে সফল তিনি। রাজশাহীর জয়ে অবদান রেখে বিপিএলে প্রথম ম্যান অব দ্য ম্যাচ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি ওয়াসিম। সেই সঙ্গে মোমেন্টাম ধরে রেখে সামনের ম্যাচগুলোতেও এভাবে পারফর্ম করতে চান তিনি।
ওয়াসিম বলেন, ‘খুব ভালো লাগছে। সবকিছুর আগে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা। পারফর্ম করতে পেরে, দলে অবদান রাখতে পেরে এবং বিপিএলে প্রথম ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়ে খুবই খুশি আমি। এই মোমেন্টাম সামনের ম্যাচগুলোতেও ধরে রাখার চেষ্টা করব।’