সময় স্বল্পতার জন্য পাঁচটি দল নিয়ে হওয়ার কথা ছিল বিপিএলের চলতি আসর। তবে একেবারে শেষ মুহূর্তে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে যুক্ত করা হয় নোয়াখালীকে। প্রথমবার বিপিএলে দল পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বেশ রোমাঞ্চিত ছিলেন শহরটির সমর্থকরা। নিলামের আগে সৌম্য, হাসান মাহমুদ, কুশল মেন্ডিস ও জনসন চার্লসের মতো ক্রিকেটারদের দলে টানায় ভালো পারফরম্যান্সের স্বপ্নে বিভোর ছিলেন তারা।
চোটের কারণে বিপিএল খেলতে আসেননি মেন্ডিস। অজানা কারণে নোয়াখালীর হয়ে দেখা যায়নি চার্লসকে। ব্যক্তিগত কারণে চারটি ম্যাচ খেলতে পারেননি সৌম্যও। এমন অবস্থায় একের পর এক হারে বিপাকে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। অথচ দলটিকে সমর্থন দিতে নোয়াখালী শহর থেকে বাস নিয়ে সিলেট শহরে পৌঁছে গিয়েছিলেন দর্শকরা। তাদের সবারই অবশ্য খালি হাতে ফিরতে হয়েছে।
তাদের জন্য খারাপ লাগছে সৌম্যর। বাঁহাতি ওপেনার বলেন, ‘তাদের জন্য তো খারাপ লাগে। আমাদের খারাপ লাগাটা তারা দেখছে কি না জানি না। আমরাও চেষ্টা করছি তাদের খুশি করার জন্য, ব্যর্থ হচ্ছি। তাদের কাছে আমরা সরিই বলব যে তারা এত কষ্ট করে খেলা দেখতে আসে; কিন্তু আমরা জিততে পারছি না।’
বেশিরভাগ ম্যাচেই পাওয়ার প্লেতে ভালো করতে পারেনি নোয়াখালী। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই প্রথম ৬ ওভারে তিনটি কিংবা চারটি করে উইকেট হারিয়েছে তারা। একমাত্র রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের সঙ্গেই পঞ্চাশ ছোঁয়া উদ্বোধনী জুটি পেয়েছে নোয়াখালী। ব্যাটারদের ব্যর্থতাকেই দায়ী করছেন সৌম্য।
তিনি বলেন, ‘আমাদের ব্যাটসম্যানরা ও রকমভাবে ক্লিক করতে পারেনি। প্রতি ম্যাচেই পাওয়ার প্লেতে ৩টা করে উইকেট চলে গেছে। রান না হওয়ার এটা একটা বড় কারণ।’
সৌম্য আরও যোগ করেন, ‘শেষ যে কয়েকটা ম্যাচে আমি খেলেছি, দেখেছি সবাই একটা ম্যাচ জেতার জন্য অনেক মরিয়া হয়ে আছে। সবাই চেষ্টা করছে এবং সবাই সবার সেরাটা দেওয়ারও চেষ্টা করছে; কিন্তু হয়তো কোনো কারণে আমরা ক্লিক করতে পারছি না।’