সবশেষ কয়েক আসরে খেলা কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্স, করাচি কিংস, লাহোর কালান্দার্স, পেশাওয়ার জালমি ও ইসলামাবাদ ইউনাইটেড নতুন করে পিসিবির সঙ্গে ১০ বছরের জন্য চুক্তি করেছে। নানান ঘটনাপ্রবাহে আগামী মৌসুমের জন্য মুলতান সুলতানসের মালিকানা নিয়েছে পিসিবি। নতুন দুইটি ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য দরপত্র আহ্বান করলে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। সেখান থেকে ৯টি প্রতিষ্ঠানকে নিলামে অংশে নেয়ার সুযোগ করে দেয় পিসিবি।
৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টারে হয়েছে নতুন দুই দলের নিলাম। সপ্তম দলের জন্য ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয় ১১০ কোটি পাকিস্তানি রুপি। বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লড়াই করে দলের মালিকানা পায় এফকেএস। তাদের সঙ্গে লড়াইটা হয়েছে আইটুসির সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত ১৭৫ কোটি পাকিস্তানি রুপিতে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা) সপ্তম দলের মালিকানা পেয়েছেন ফাওয়াদ সারওয়ারের এফকেএস।
মালিকানা পাওয়ার পর ফ্র্যাঞ্চাইজির শহর হিসেবে হায়দরাবাদকে বেছে নিয়েছে তারা। পিএসএলে মালিকানা ধরে রাখার জন্য প্রতি বছর পিসিবিকে ১৭৫ কোটি পাকিস্তানি রুপি দিতে হবে তাদের। অর্থাৎ আগামী ১০ বছরে শুধু ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি হিসেবে খরচ হবে ১ হাজার ৭৫০ কোটি পাকিস্তানি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭৬৫ কোটি টাকা)। এফকেএস যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিমান ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান।
শিকাগো কিংসমেন ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানাও তাদের অধীনে। অষ্টম দল হিসেবে মালিকানা পেতে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের তুমুল লড়াই হয়েছে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি ১৮৫ কোটি রুপিতে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮০ কোটি টাকা) মালিকানা পেয়েছে ওজেড ডেভেলপার্স। রিয়েল এস্টেট কনসোর্টিয়াম প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করা প্রতিষ্ঠানটি শিয়ালকোটকে বেছে নিয়েছে।
হায়দরাবাদের মতো শিয়ালকোট ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য প্রতি বছর পাকিস্তানি ১৮৫ কোটি রুপি (বাংলাদেশ মুদ্রায় প্রায় ৮০ কোটি টাকা) পিসিবিতে দিতে হবে ওজেড ডেভেলপার্সের। ১০ বছরের হিসেবে ১ হাজার ৮৫০ কোটি পাকিস্তানি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় পায় ৮০০ কোটি টাকা)। দুই দল থেকে বছরে ৩৬ কোটি পাকিস্তানি রুপি ও ১০ বছরে পিসিবি পাবে ৩ হাজার ৬০০ কোটি পাকিস্তানি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা)।
২০২৬ সালের ২৬ মার্চ পর্দা উঠবে ৮ দলের পিএসএলের। একাদশ আসরের ফাইনাল হবে ৩মে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে নতুন দুইটি ফ্র্যাঞ্চাইজির নাম জানাবে তারা। ড্রাফটের আগে দলগুলো কয়জন করে ক্রিকেটার ধরে রাখতে পারবে সেটা এখনো জানায়নি পিসিবি। তবে ড্রাফটের জন্য বিদেশি ক্রিকেটারদের নিবন্ধন শুরু হয়েছে। আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত পাকিস্তানের বাইরের ক্রিকেটাররা পিএসএল খেলার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন।