বিশেষ করে মুস্তাফিজুর রহমানের দুই ওভারে ৪১ রান খরচা বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা কঠিন করে দেয়। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে অভিজ্ঞ এই পেসারের বোলিং নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তার পাশে দাঁড়িয়েছেন অধিনায়ক লিটন।
মুস্তাফিজকে নিয়ে লিটন বলেন, 'ও আমাদের দলের সেরা বোলার অনেক বছর ধরে। ক্রিকেটে কখনো একই পথে যাওয়া যায় না, উত্থান-পতন থাকবে। আমার কাছে মনে হয়, আজকের দিনটা তার জন্য খুব একটা উপযুক্ত ছিল না।'
ম্যাচের মোড় ঘোরার কারণ হিসেবে মিডল ওভারের বোলিংকে দায়ী করেছেন লিটন। তিনি বলেন, 'আমার কাছে মনে হয়, আমরা মিডল ওভারে বোলিংটা যদি আরেকটু ভালো করতে পারতাম, ওই ছক্কাগুলো যদি কম খেতাম, তাহলে সুযোগ বেশি থাকত।'
মুস্তাফিজের বদলে স্পিনার ব্যবহার করা যেত কি না, এমন প্রশ্নেও নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়েছেন লিটন। তিনি বলেন, 'আজকে মুস্তাফিজ তিন উইকেট পেলে আপনি এই প্রশ্ন করতেন না। আমার কাছে সেরা বিকল্প মুস্তাফিজই মনে হয়েছে, তাই আমি তাকে বোলিং করিয়েছি।'
দীর্ঘদিন ম্যাচের বাইরে থাকা এবং উইকেটের কঠিন পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। লিটনের ভাষায়, 'আমরা অনেক দিন ধরে হোটেলে বসা ছিলাম, পাশাপাশি টসেও হেরেছি। আমাদের হাতে কোনো বিকল্প ছিল না। উইকেটটাও কিছুটা কঠিন ছিল।'
শুরুতেই তিন উইকেট হারানোর পর দলকে ঘুরে দাঁড় করানোয় তাওহীদ হৃদয়ের প্রশংসা করেছেন লিটন। ২৫ বলে দুটি চার ও চারটি ছক্কায় ৪২ রান করেন তাওহীদ। যার কারণে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
হৃদয়ের প্রশংসায় লিটন বলেন, 'কৃতিত্ব হৃদয়ের। ওই জায়গা থেকে ও আমাদের দলকে ঘুরে দাঁড় করিয়েছে। মোসাদ্দেক ও হৃদয়ের জুটিটা খুবই ভালো ছিল।'
১১১ রান জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল কি না, এমন প্রশ্নে লিটনের উত্তর, 'আমার কাছে মনে হয় যথেষ্ট ছিল। কিন্তু আমরা যদি বোলিংটা আরেকটু ভালো করতে পারতাম, তাহলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো।'
এশিয়ান গেমসে সোনার পদক জয়ের লক্ষ্য পূরণ না হওয়ায় হতাশাও প্রকাশ করেছেন তিনি। লিটন বলেন, 'স্বাভাবিকভাবেই খারাপ লাগছে। দেশ ছাড়ার সময় বলেছিলাম, আমরা ফাইনাল খেলতে চাই। সেই জায়গায় যেতে পারিনি।'