এমন ম্যাচের উইকেট নিয়ে সন্তুষ্ট নন ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। তিনি মনে করেন এমন উইকেটে ব্যাটে-বলের কোনো লড়াই নেই। এমনকি বোলারদের কিছুই করার সুযোগ ছিল না। এমন ম্যাচকে প্রকৃত ক্রিকেট বলতে নারাজ ভারতীয় এই কোচ।
কিন্তু তাতে সন্তুষ্ট নন ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীর। তার চোখে, এমন উইকেটে ব্যাট ও বলের লড়াইয়ের জায়গা নেই বললেই চলে। যেখানে বোলারদের জন্য কিছু করার সুযোগই থাকে না, সেখানে এমন ম্যাচকে আর প্রকৃত ক্রিকেট বলতে চান না তিনি। এটা দর্শক ও সম্প্রচারের জন্য দারুণ ব্যাপার হলেও বোলারদের জন্য সহানুভূতি থাকা দরকার বলে মনে করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে গম্ভীর বলেন, 'সত্যি বলতে, আমার মনে হয় ব্যাট ও বলের মধ্যে আরও একটু লড়াই থাকা দরকার। আমরা ক্রিকেটের কথা বলি, কিন্তু এটা ক্রিকেট নয়, এটা শুধুই ব্যাটিং। ভাবুন তো, একজন তরুণ বোলার এমন উইকেটে বল করছে, প্রতিপক্ষ ৪০০ রান করল, এরপর আমাদের ৪০০ রান তাড়া করতে হলো। রেকর্ডের জন্য এটা অসাধারণ, দর্শকদের জন্যও দারুণ, সম্প্রচারমাধ্যমের জন্যও। কিন্তু একজন প্রকৃত ক্রিকেটপ্রেমী ও কোচ হিসেবে বোলারদের প্রতিও আমার সহানুভূতি থাকা দরকার।'
এমন উইকেটে দুই দলের বোলারদেরই বড় ধাক্কা খেতে হয়েছে। গম্ভীরের ধারণা এখানে বোলারদের প্রতি সুবিচার করা হয়নি। এমন উইকেট বোলারদের জন্যও ভালো ন্যায্য নয় বলেও দাবি ভারতীয় এই কোচের। তিনি বলেন, 'এ ধরনের উইকেটে বোলিং করা বোলারদের জন্য ন্যায্য নয়। বোলারদের এমন কিছু দিতে হবে, যাতে তাদেরও কাজ করার মতো কিছু থাকে।'
এই ম্যাচে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসাররা রান আটকাতে ব্যর্থ হয়েছেন। ভারতের কোনো পেসারই ওভারপ্রতি ৯ রানের কম দেননি, আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের চার পেসারের সবার ইকোনমি ছিল ৮-এর বেশি। এর মধ্যে ভারতের অভিষিক্ত আকিব নবি ৮.৫ ওভারে ৮৪ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন।
বোলারদের পাশে দাঁড়িয়ে গম্ভীর বলেন, 'প্রথমত, বোলারদের প্রতি একটু সহানুভূতি দেখাতে হবে, তাদের কিছুটা ছাড় দিতে হবে। অনেক সময় শুধু বোলিং পরিসংখ্যান দেখে বোলারদের কঠোর সমালোচনা করা যায় না। কারণ, তাদের বোলিংয়ের মান হয়তো পরিসংখ্যানে যতটা খারাপ দেখাচ্ছে, বাস্তবে ততটা খারাপ ছিল না। ব্যবধানটা খুবই সামান্য।'