৪০৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপ ছিল ভারতের ওপর। তবে ইনিংসকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন গিলরা। তবে পুরো ম্যাচে চাপে থাকার ঘটনা স্বীকার করেন গিল।
গিল বলেন, 'অস্বীকার করব না, লক্ষ্য দেখে আমরা কিছুটা চাপে ছিলাম। আমরা ইনিংসটাকে ছোট ছোট করে ভেঙে নিয়েছিলাম। পাওয়ার প্লেতে লক্ষ্য ছিল উইকেট না হারিয়ে ৭৫-৮০ রান তোলা। ২৫ ওভারের মধ্যে ২০০-২১০ রান করতে চেয়েছিলাম। তবে ২৩০-২৪০ উঠে যাওয়ায় পরিস্থিতি সহজ হয়ে যায়।'
নিজের ২২৩ রানের ইনিংস নিয়ে গিলের উচ্ছ্বাসও স্পষ্ট। তার ভাষায়, 'এ রকম একটা পারফরম্যান্স করতে পেরে গর্বিত লাগছে। শেষ পর্যন্ত ২২ গজে থাকতে পারায় বেশি ভালো লাগছে। আমরা জানতাম বল একটু পুরোনো হলেই ব্যাটে ভালোভাবে আসবে। তখন রান তোলা সহজ হয়ে যাবে।'
তবে এমন লম্বা ইনিংসের পর শারীরিক ধকলও সামলাতে হয়েছে ভারতীয় অধিনায়ককে। ম্যাচ শেষে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানাতে গিয়ে গিল বলেন, 'আমার গোটা শরীরে টান ধরছে। এখানে খুব গরম। ১৩ ওভার ফিল্ডিং করার পরই মনে হচ্ছিল ২৫ ওভার মাঠে রয়েছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুর্দান্ত ব্যাট করল। ৪০০-এর বেশি রান, অসাধারণ। দারুণ ম্যাচ হলো।'
তবে দলের বোলিং নিয়ে শুরুতে সন্তুষ্ট ছিলেন না গিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে তিনি বলেন, 'প্রথমে বোলিং নিয়ে একদমই খুশি ছিলাম না। আমরা ভালো বল করতে পারিনি, বিশেষ করে পাওয়ার প্লেতে। ওরা দারুণ ব্যাট করল। একটা সময় মনে হচ্ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪২০-৪৩০ রান করে ফেলবে। শেষ দিকেও আমরা ২০-৩০ রান বাড়তি দিয়ে ফেলেছি।'
সিরিজের শেষ ম্যাচে একাদশে পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়েছেন গিল। তিনি বলেন, 'পরিবর্তন হতেই পারে। আমরা দলের সকলকে খেলার সুযোগ দিতে চাই। কোন সমন্বয়টা সবচেয়ে ভালো, সেটাও দেখে নেয়া দরকার।'