সুযোগটা কাজে লাগাতে একটু ভুল করলেন না তারা দুজন। ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে দুজনে মিলে যোগ করলেন ৮১ বলে ৬৩ রান। নিয়ামুরি ও এনগারাভার ওমন ব্যাটিংয়েই লড়াইয়ের পুঁজি পায় জিম্বাবুয়ে। পরবর্তীতে চার পেসারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে বাংলাদেশকে ১১৬ রানে অল আউট করে ২৫ রানের জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা। ম্যাচ শেষে নিয়ামুরি ও এনগারাভার জুটি ভাঙতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছেন নাহিদ।
বাংলাদেশের তারকা পেসার বলেন, ‘প্রথমত, আলহামদুলিল্লাহ। শেষ (নবম) উইকেটে তাদের একটা জুটি হয়েছে, ওই জুটিটা যদি আমি একটু আগে ভাঙতে পারতাম তাহলে হয়ত ম্যাচের রেজাল্টটা ভিন্ন হতো কিংবা রান আরও কম হতো। আমার মনে হয় ওই জায়গাতে আমরা বোলাররা একটু সহজ বোলিং করেছি।’
সবশেষ কয়েক মাসে বল হাতে সময়টা দারুণ উপভোগ করছেন নাহিদ। ২১ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো পাঁচ উইকেট পেয়েছেন তিনি। পাশাপাশি মাশরাফি বিন মুর্তজা ও রুবেল হোসেনকে ছাড়িয়ে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেরা বোলিং ফিগারের রেকর্ডটা দখল করে নিয়েছেন নাহিদ। এমন পারফরম্যান্সেও ম্যাচ জেতাতে না পেরে হতাশ তিনি।
নাহিদ বলেন, ‘আমি সবসময় বোলিংটা উপভোগ করি এবং যখন যে দিনটা আমার যাবে চেষ্টা করি সেটা আমার করে নেওয়ার জন্য। চেষ্টা করি সেদিন আমি আমার দলকে জেতাব। আজকে পারি নাই কারণ শেষ জুটিটা আমরা বোলাররা যদি ভাঙতে পারতাম তাহলে রেজাল্ট ভিন্ন হতো।’
বোলিংয়ে ভালো শুরু পেলেও ব্যাটিংটা ঠিকঠাক করতে পারেনি বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত ও সৌম্য সরকার ফেরেন দ্রুতই। তাওহীদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান মিলে জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে সেটা কাজে দেয়নি। বরং হতশ্রী ব্যাটিংয়ে ১৪১ রান তাড়ায় বাংলাদেশ অল আউট হয়েছে ১১৬ রানে। জুটি করতে না পারার আক্ষেপের কথা জানালেন নাহিদ নিজেও।
তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় বোলিংয়ের দিক থেকে আমরা ভালো করেছিলাম কিন্তু ব্যাটিংয়ে সেভাবে ভালো করতে পারিনি। আমাদের বড় একটা জুটি হলে, ব্যাক টু ব্যাক উইকেট না পড়লে হয়ত আজকের ম্যাচের ফলাফলটা ভিন্ন হতো। কিন্তু সবাই সবার জায়গা থেকে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।’