এই মাসের শেষ দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে বাবরের নতুন অধ্যায়ের শুরু হবে। শান মাসুদের অধীনে টেস্টে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর আবারও বাবরের হাতে নেতৃত্ব তুলে দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। বাবরের কাছ থেকে দায়িত্ব নেয়ার পর মাসুদ ১৬ টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দেন, যার মধ্যে ১২টিতেই হেরেছে পাকিস্তান।
এদিকে সবশেষ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে পাকিস্তান সবার নিচে থেকে শেষ করেছিল। চলমান চক্রেও চার ম্যাচে মাত্র একটি জয় নিয়ে একই অবস্থানে রয়েছে দলটি। সম্প্রতি বাংলাদেশের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হারের পর সমালোচনা আরও বেড়েছে। এর পরিণতি হিসেবে মাসুদকে নেতৃত্ব থেকেই সরে যেতে হয়েছে।
পিসিবির প্রকাশিত এক ভিডিওতে নতুন অধিনায়কত্ব নিয়ে বাবর বলেন, ‘আবারও পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়া আমার জন্য সম্মানের। আগের অভিজ্ঞতা থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। এখন আমি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। মনে হচ্ছে, আগের চেয়ে আরও পরিণত হয়েছি। তাই এবার আরও ভালো পরিকল্পনা ও ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে দলকে নেতৃত্ব দেব। আগের মেয়াদে ভালো ও খারাপ দুই ধরনের অভিজ্ঞতাই ছিল। সেগুলো বিশ্লেষণ করে অনেক বিষয় পরিষ্কারভাবে বুঝতে পেরেছি।’
২০২৩ সালের জুলাইয়ে বাবরের নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইটওয়াশ করার পর থেকে বিদেশের মাটিতে আর কোনো টেস্ট সিরিজ জিততে পারেনি পাকিস্তান। আগের মেয়াদে বাবর ২০ টেস্টে নেতৃত্ব দিয়ে ১০টিতে জয় পেয়েছিলেন। চারটি ম্যাচ ড্র হয়েছিল। এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সফরের আগে তার নেতৃত্বেই ভাগ্য বদলের আশা করছে পাকিস্তান। তবে দলের ক্রিকেটারদের তিনি দিয়েছেন স্পষ্ট নির্দেশনাও।
বাবর যোগ করেন, ‘আমার প্রধান গুরুত্ব থাকবে শৃঙ্খলা, ফিটনেস ও পারফরম্যান্সে। এই তিন বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। শক্তিশালী দল গড়তে এগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি সব সময়ই খেলোয়াড়দের পাশে থেকেছি। তবে খেলোয়াড়দের কাছ থেকেও ইতিবাচক সাড়া থাকতে হবে।’