এটাই শেষ বিশ্বকাপ নয়: সিভার ব্রান্ট

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
হিদার নাইটের সঙ্গে সিভার ব্রান্ট
হিদার নাইটের সঙ্গে সিভার ব্রান্ট
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ার কাছে আইসিসি নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছে ইংল্যান্ড। ফাইনালে হারের পরও খেলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ন্যাট সিভার ব্রান্ট। তিনি জানিয়েছেন আরও খেলতে চান তিনি। এটাকেই শেষ বিশ্বকাপ ভাবছেন না তিনি।

রোববার লর্ডসে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে হারিয়েছে ইংল্যান্ডকে। ম্যাচটি সিভার ব্রান্টের জন্য ছিল বিশেষ একটি উপলক্ষও। একই মাঠে ২০১৭ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি রয়েছে স্কিভার ব্রান্টের। প্রায় এক দশক পর আবারও লর্ডসে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেললেও আপাতত অবসরের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

ম্যাচ শেষে সিভার ব্রান্ট বলেন, ‘আমি চাই না এটিই আমার শেষ বিশ্বকাপ হোক। পরের বিশ্বকাপ কবে, সেটিও আমি জানি না। তাই বিষয়টি নিয়ে এখনো ভাবিনি। অবশ্যই পরিবারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার, দল এবং সমর্থকদের কাছ থেকে যে সমর্থন পাই, সেটিই আমাদের কাছে অনেক বড়। সম্ভবত সে কারণেই আবেগটা এত বেশি।’

বিশ্বকাপ শুরুর আগে কাফের চোটে পড়েছিলেন সিভার ব্রান্ট। সেই কারণে ইংল্যান্ডের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচ খেলতে পারেননি তিনি। তবে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সেমিফাইনালে দলে ফিরেই দারুণ এক ইনিংস খেলেন। ৪৭ বলে ৭৫ রান করার পাশাপাশি হিদার নাইটের সঙ্গে ১৩৩ রানের জুটি গড়ে ২৩ রানে ৩ উইকেট হারানো দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান। চোট কাটিয়ে ফিরে এমন পারফরম্যান্সে নিজের সন্তুষ্টির কথাও জানিয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপ চলাকালে চোট সামলে ওঠা মোটেও সহজ ছিল না। আমি সব সময় চেষ্টা করেছি দলের মধ্যে ইতিবাচক থাকতে এবং নিজের কষ্টটা বেশি প্রকাশ না করতে। ম্যাচগুলো মিস করা খুব কঠিন ছিল। দলে ফিরে যেন কোনো সমস্যা না হয়, সে চেষ্টা করেছি। সেমিফাইনালে ফিরে যেভাবে খেলতে পেরেছি, তা আমাকে নিজেকেই কিছুটা বিস্মিত করেছে। আমি যা করতে পেরেছি, তাতে সত্যিই গর্বিত।’

এই বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যোগাবে বলেও বিশ্বাস সিভার ব্রান্টের। তিনি যোগ করেন, ‘আমরা জানি ২০১৭ সালে গ্যালারিতে থাকা অনেকেই এখন ইংল্যান্ড দলে খেলছে, যা অবিশ্বাস্য। আমরা কখনোই জানি না, আমাদের খেলা দেখে পরের কোন মেয়েটি অনুপ্রাণিত হবে এবং নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে হাঁটবে। এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বিশেষ দিকগুলোর একটি ছিল সেটিই।’