ভারতের আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের দলে সূর্যবংশীর ডাক পাবার পরই সকল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন তিনি। আয়ারল্যান্ড সিরিজে সূর্যবংশীর অভিষেক হয়নি। ভারতও প্রথমবারের মতো সিরিজ হারে আইরিশদের কাছে। সেই সিরিজে স্যামসনও রান পাননি। তাই সূর্যবংশীকে দলে জায়গা করে দিতে একাদশ থেকে বাদ পড়তে হয় স্যামসনকে।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিন বলেন, 'এ মুহূর্তে সাঞ্জুকে নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। এত দ্রুত তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হলো। এখন সাঞ্জু কী ভাবছে? অনুশীলনে নেমে তার মানসিক অবস্থাই বা কেমন হবে? বর্তমানে ওপেনিং ও টপ অর্ডারে অভিষেক শর্মা, বৈভব সূর্যবংশী ও ইশান কিষাণ এই তিনজনই বাঁহাতি ব্যাটার। এখন তারা সঞ্জুকে তিন নম্বরে বিকল্প হিসেবে ভাববে। আমি নিশ্চিত, কোচিং স্টাফ এবং গৌতম গম্ভীরও জানেন, সঞ্জুর সঙ্গে ন্যায্য আচরণ করা হয়নি। এখন পরিস্থিতি তাদেরই সামাল দিতে হবে।'
অশ্বিনের মতে, স্যামসনকে আরও কিছু ম্যাচে আস্থা দেখানো উচিত ছিল। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় দলের হয়ে তিনি ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করেছেন।
তিনি বলেন, 'সব সময় সবার সঙ্গে সমান আচরণ করা সম্ভব নয়, অনেক সময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হয়। সেটা আমি মানি। কিন্তু যে খেলোয়াড় আপনাকে ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল দিয়েছে, তাকে এত দ্রুত বাদ দেওয়াটা ভুল সিদ্ধান্ত। সঞ্জু দলের আস্থার প্রতিদান দিয়েছে। কোনো ভালো শেয়ারের দাম কয়েক দিন কমলেই যেমন সেটি বিক্রি করে দেওয়া হয় না, তেমনি একজন পারফর্মারকেও কয়েকটি ব্যর্থতার পর বাদ দেওয়া উচিত নয়। অন্তত আরও কিছু সময় তার ওপর আস্থা রাখা দরকার ছিল।'
এদিকে, স্যামসনকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সমালোচনা বা জনমতের কোনো প্রভাব ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন অশ্বিন।
অশ্বিন বলেন, 'একটি বিষয় আমাকে ভাবাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা বা বাইরের চাপ কি দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব ফেলছে? যদি তা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি খুবই উদ্বেগের বিষয়। দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ক্রিকেট দেখছি। অনেক অধিনায়কের অধীনে খেলেছি। তারা কখনোই বাইরের শব্দ ড্রেসিংরুমে ঢুকতে দেননি, আর সেটাই হওয়া উচিত।'