নিউজিল্যান্ড সিরিজে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পান সাকলাইন। সেই সিরিজে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের পর খুব বেশি খারাপ করেননি এই পেসার। বল হাতে নেন দুই উইকেট। দ্বিতীয় ম্যাচে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি সাকলাইন। অজি ব্যাটার টিম ডেভিডের আক্রমণে বোলিংয়ে নিয়ন্ত্রণ হারান সাকলাইন। চার ওভারের স্পেলে খরচ করেন ৫৩ রান।
বোলিংয়ে খারাপ দিন কাটানোর প্রভাব পড়ে সাকলাইনের ব্যাটিংয়েও। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যাটিংয়ে নেমে নিজের অলরাউন্ডার স্বত্তার প্রমাণ দিতে ব্যর্থ সাকলাইন। শেষ চার ওভারে দলের যখন প্রয়োজন ৪৪ রান তখন ব্যাটিংয়ে নেমে ১১ বলে ১৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তবে, মাত্র দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সাকলাইনকে আরো সময় দেবার পক্ষে ইমন।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি শেষে সংবাদ সম্মেলনে ইমন বলেন, 'ঘরোয়া ক্রিকেটে তো সাকলাইন মাশাআল্লাহ ভালো ব্যাটিং করে। ওইখান থেকে হয়তোবা এরকম আশা আমাদের সবার মধ্যে আছে যে সাকলাইন আসলে বড় বড় ছয় মারবে। আশা করি ইনশাআল্লাহ ও পরের ম্যাচগুলোতে নিজেকে এই জায়গায় ভালোভাবে কাজে লাগাবে।'
সাকলাইনের ওপর এখনই বাড়তি প্রত্যাশা না করার আহ্বান জানিয়ে ইমন বলেন, 'সাকলাইনের ওপরে প্রত্যাশা আছে কিন্তু ও মাত্র দুইটা আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছে। তাই খুব বেশি প্রত্যাশা না করাই ভালো।'
অজিদের দেয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু পায় বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, তাওহীদ হৃদয়, ইমনরা সবাই ত্রিশোর্ধ রানের ইনিংস খেললেও কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি। ব্যাটাররা বড় রান করতে ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ৭ রানে ম্যাচ হেরে সিরিজ হার নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
এ প্রসঙ্গে ইমন বলেন, 'এরকম রান তাড়া করতে হলে আসলে বড় স্কোর দরকার পড়ে। আমরা আসলে সবাই ৩০-৪০ এ আউট হয়েছি। ওখানে ৩০-৪০ রানটা যদি আমরা বড় রান করতে পারতাম যেকোনো একজন, তাহলে খেলাটা সহজ হয়ে যেত।'