শান মাসুদের সঙ্গে মুশফিকের তর্ক নিয়ে যা জানালেন তাইজুল

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজ
শান মাসুদের সঙ্গে মুশফিকের তর্কের মুহূর্ত, ক্রিকফ্রেঞ্জি
শান মাসুদের সঙ্গে মুশফিকের তর্কের মুহূর্ত, ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
সিলেট টেস্টে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। একমাত্র বৃষ্টিই পারে এই ম্যাচ ড্র করতে। না হলে এই ম্যাচে নিশ্চিতভাবেই জয় পাচ্ছে দুই দলের কেউ। আপাতত বাংলাদেশই নিঃসন্দেহে এগিয়ে আছে সিলেট টেস্টে। দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশের বিশাল সংগ্রহ নিশ্চিত করেছেন মুশফিকুর রহিম।

যদিও সেঞ্চুরির ঠিক আগ মুহূর্তে মুশফিকের মনঃসংযোগ নষ্ট করতে স্লেজিং করেছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক শান মাসুদ। তখন তাইজুল ইসলামের দিকেও বিভিন্ন কথা বলতে দেখা গেছে পাকিস্তান অধিনায়ককে। তবে মাসুদ ব্যর্থ হয়েছেন। তাইজুল-মুশফিকের ৭৭ রানের জুটি পাকিস্তানকে ম্যাচ থেকেই প্রায় ছিটকে দিয়েছে।

ঘটনাটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের ৭৯তম ওভারের। পাকিস্তানি পেসার খুররম শেহজাদ বোলিং শুরুর আগে মাসুদ ও মুশফিকের মধ্যে কথা কাটাকাটি চলতে থাকে। মুশফিক যখন নন স্ট্রাইকিং প্রান্তে ফিরছিলেন, তখন আবারও তার দিকে তেড়ে গিয়েছিলেন শান মাসুদ। মুশফিক অবশ্য তাকে পাল্টা কোনো জবাব দেননি। ফলে ঘটনা আর বড় হয়নি।

এ প্রসঙ্গে তাইজুল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘এটা আসলে আপনি যখন ম্যাচে নামবেন তো আসলে অনেক ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। তারাও হয়তো অনেক সময় ধরে ফিল্ডিং করছিল। ধৈর্য ধরে রাখতে পারেনি। মুশফিক ভাইও তেমন কিছু বলেনি। মুশফিক ভাইতো আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলছিলেন। কিন্ত সে কী বুঝেছে না বুঝেছে, সেকারণেই হয়তো প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।’

এরপর তাইজুল তার সঙ্গে পাকিস্তান অধিনায়কের তর্ক নিয়েও খোলাসা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে যেটা হয়েছে আসলে সে (মাসুদ) আমাকে বলছিল যে তুমি ব্যাটিং করতে আসো। আসলে এটা তো তার কাজ না। ব্যাটিং করা আমার কাজ। তারপর চার মারলাম। শুধু এতটুকুই।’

গত কয়েক ম্যাচে বাংলাদেশের লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা দারুণ জুটি গড়ছেন ব্যাটারদের সঙ্গে। যা ম্যাচের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে। দ্বিতীয় ইনিংসে তাইজুল ৫১ বলে ২২ রানের ইনিংস খেলেছেন। তিনি জানিয়েছেন মুশফিক অপরপ্রান্তে থাকায় তার ব্যাটিং করা সহজ হয়ে গিয়েছিল।

তাইজুল যোগ করেন, ‘অবশ্যই এটা আমাদের জন্য আলহামদুলিল্লাহ খুবই ইতিবাচক একটা দিক। আপনি যখন সিনিয়র প্লেয়ারের সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ার করবেন, তাঁর যে একটা অভিজ্ঞতা বলেন বা তিনি যখন রান করেন, যখন উইকেটে থাকেন, তাঁর সঙ্গে আরেকজন যে থাকে তো আসলে তার খেলাটা সহজ হয়। যখন আমি ব্যাটিং করছিলাম, হয়তোবা আমাকে অনেক তথ্য দিচ্ছিল। আপনি ব্যাটিং করবেন ৫০ শতাংশ আর ৩০-৪০ শতাংশ আপনার জন্য সহজ হয়ে যায়। একজন অভিজ্ঞ কারো সঙ্গে ব্যাটিং করাটা বা ড্রেসিংরুম শেয়ার করাটা, অনেক কিছু বুঝতে পারাটা সহজ হয়ে যায়।’

আরো পড়ুন: