এই তিন পেসার মিলেি সিরিজ জুড়ে ১৮ উইকেট নিয়েছেন। শরিফুল ১১ ধাপ এগিয়ে ২৮তম স্থানে উঠেছেন, মুস্তাফিজুর ১৪ ধাপ লাফিয়ে পৌঁছেছেন ৪১ নম্বরে এবং সিরিজসেরা নাহিদ রানা ১৬ ধাপ এগিয়ে উঠে গেছেন ৪৮তম স্থানে। ওয়ানডে ব্যাটসম্যানদের হালনাগাদ র্যাঙ্কিংয়েও একই চিত্র দেখা গেছে।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পর নজর কেড়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। শান্ত ১১ ধাপ এগিয়ে ৩২তম স্থানে উঠেছেন, আর লিটন ১৫ ধাপ উন্নতি করে পৌঁছেছেন ৬৫ নম্বরে। ওয়ানডে অলরাউন্ডারদের তালিকায়ও উন্নতি হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের।
বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক চট্টগ্রামে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে অপরাজিত ২২ রান ও দুই উইকেট নিয়ে এক ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে উঠেছেন। বাংলাদেশের ব্যাটারদের উন্নতি হয়েছে টি-টোয়েন্টিতেও। কিউইদের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দারুণ এক হাফসেঞ্চুরি করেছেন তাওহীদ হৃদয়।
এই ব্যাটার ৯ ধাপ এগিয়ে ৩৯তম স্থানে উঠেছেন। সেই সঙ্গে পারভেজ হোসেন ইমনও ৩ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৪০তম স্থানে পৌঁছেছেন। টি-টোয়েন্টির বোলারদের তালিকায় ৩ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ১৮তম স্থানে উঠে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন মেহেদী হাসান।