মাঠ ও মাঠের বাইরের নানান নেতিবাচক ইস্যুতে গত বছর তিনেক ধরেই আলোচনায় এসএলসি। তাই ক্রিকেট বোর্ড নিয়ে জনমনে ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছিল। এর প্রতিক্রিয়াতেই বোর্ডের বর্তমান কমিটি ভেঙে দিতে চেয়েছিল দেশটির সরকার।
এ নিয়ে টানা চার মেয়াদে লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্বে ছিলেন শাম্মি সিলভা, এরমধ্যে তিনবারই তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। তাই নানান সময় স্বেচ্ছ্বাচারিতার অভিযোগ এসেছে তার কমিটির বিরুদ্ধে। এ ছাড়া দেশটির সবচেয়ে ধনী এই ক্রীড়া সংস্থা ব্যাপক দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত ছিল।
এর আগে ২০২৩ সালে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছিল। মাস দুয়েক পর সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ঘিরে সংকট ক্রমেই আরও ঘনীভূত হয়েছে। বোর্ডের প্রতি জনমানুষের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ বেড়ে তা সরকারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন আশংকাই করা হচ্ছিল।
শ্রীলঙ্কার মাঠের পারফরম্যান্সও বর্তমান বোর্ডের হয়ে কথা বলছে না। সম্প্রতি ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাজেভাবে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের। গ্রুপ পর্বে র্যাঙ্কিংয়ের নিচের দিকে থাকা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হেরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয় ২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়নদের। সুপার এইটে উঠলেও কোনো লড়াই গড়ে তুলতে পারেনি ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে। তাই সব মিলিয়ে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটকে ঢেলে সাজানোর জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।