এমন ম্যাচে জেতাতে না পারা ভালো দিক নয়: হৃদয়

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
ম্যাচ জিতিয়ে ফেরার পথে তাওহীদ হৃদয়
ম্যাচ জিতিয়ে ফেরার পথে তাওহীদ হৃদয়
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ উইকেট হাতে রেখে ১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। যা টাইগারদের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডও। তবে নিউজিল্যান্ডের বড় সংগ্রহে জবাবে বাংলাদেশ এভাবে হেসে খেলে জয় তুলে নেবে অনেকেই হয়তো ভাবেননি।

বিশেষ করে বাংলাদেশ প্রথম ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল মোটে ৭৭ রান। সেখান থেকেই দলের জয়ের পথ তৈরি করে দিয়েছেন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন। দুজনে চতুর্থ উইকেটে ২৮ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়েন। আর তাতেই ম্যাচ হাতের মুঠোয় চলে আসে বাংলাদেশের।

এরপর শামীম হোসেন পাটোয়ারির সঙ্গে হৃদয়ের ২১ বলে ৪৯ রানের জুটি বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেছে। এদিন ২৭ বলে ৫১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হয়েছেন হৃদয়। এরপর সংবাদ সম্মেলনেও এসেছিলেন তিনি। জানিয়েছেন এমন ম্যাচ জেতাতে না পারলে সেটা ভালো দিক না।

স্বস্তি নিয়ে হৃদয় বলেন, 'আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে এই জায়গায় যে খেলোয়াড়রা আছে তারা সবাই অনেক অভিজ্ঞ। আপনারা যদি দেখেন প্রত্যেকটা খেলোয়াড় প্রায় ৩০ এর অধিক ম্যাচ খেলা। এরকম ম্যাচ যদি আমরা না জেতাতে পারি তাহলে তো এটা আমাদের জন্য ভালো দিক না। ব্যাটার হিসেবে এসব দায়িত্ব নিতে হবে। প্রতিনিয়ত টপ অর্ডার থেকে ভালো হবে না, এমনও ম্যাচ হতে পারে মিডল অর্ডারও ভালো হবে না কিন্তু লোয়ার অর্ডার থেকে ম্যাচটা জেতাতে হবে। আমরা শুধু চেষ্টা করছি এই জিনিসগুলো যত দ্রুত উন্নতি করা যায় নিজেদের ভেতরে।'

হৃদয় মনে করেন সব দিন সবার ভালো যাবে না। বিশেষ করে একদিন পাওয়ার প্লেতে ভালো খেলেও মিডল অর্ডার হয়তো খারাপ করবে। অনেক দিন পাওয়ার প্লেতে ভালো রান না হলে দায়িত্ব নিতে হবে মিডল অর্ডার ব্যাটারদের। তবুও শুরুর ধাক্কা সামলে যেভাবে খেলেছেন তাতে সন্তুষ্ট হৃদয়।

তিনি যোগ করেন, 'এটা খেলার অংশ। একদিন পাওয়ার প্লে ভালো হবে, একদিন মিডল অর্ডার খারাপ হবে, এমনই। যেদিন পাওয়ার প্লে ভালো হবে না সেদিন অবশ্যই মিডল অর্ডারের দায়িত্ব বেড়ে যায়। আবার যেদিন পাওয়ার প্লে ভালো করে সেদিনও থাকে। এটা যেহেতু দলীয় খেলা, প্রতিনিয়ত সবাই ভালো করবে না—এটাই খুব স্বাভাবিক। তারপরও আমরা খুব ভালোভাবে কাভার করেছি, আলহামদুলিল্লাহ।'

ক্রিকেটারদের মধ্যে বোঝাপড়া নিয়ে হৃদয় বলেন, 'দেখুন— ভালোর তো শেষ নেই। সবাই সবার জায়গা থেকে যতটুকু ভালো করা যায় সবাই চেষ্টা করে সবসময়। আমরাও চেষ্টা করছি। দলে অনেক দিন হলো সবাই একসঙ্গে খেলছি, বোঝাপড়া অনেক ভালো আছে প্রত্যেকটা খেলোয়াড়ের সঙ্গে। দেখুন— আমার কাছে আজকে যেটা ইতিবাচক মনে হয়েছে আমরা চাপটা নিইনি বা আমাদের দেখেও বাইরে থেকে বুঝতে পারেনি যে আমরা চাপে আছি। এরকম ম্যাচ যত জেতাতে পারব ততো দলের জন্য ভালো এবং খেলোয়াড় হিসেবেও অনেক আত্মবিশ্বাস জোগাবে।'

আরো পড়ুন: