এবারের মৌসুমের আট ম্যাচ খেলে ১৮৯ রান করেছেন পান্ত। স্ট্রাইকরেট মাত্র ১২৬.৮৫। দলের দায়িত্ব নেবার বাড়তি চাপই পান্তের এমন বাজে ফর্মের কারণ হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা জাফরের। লক্ষ্মৌ দলে সাউথ আফ্রিকা টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক মার্করামের মতো ক্রিকেটার থাকতে তাকে ব্যবহার না করার কারণ দেখেন না জাফর।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে জাফর বলেন,'আমার মনে হয়, ঋষভ পান্তের মতো একজন খেলোয়াড়কে শুধুই একজন খেলোয়াড় হিসেবে খেলানো উচিত। তাকে মুক্তভাবে খেলতে দিলে এবং শুধু বললে যে মাঠে গিয়ে নিজের মতো খেলো ও ম্যাচ জেতাও, তখনই তার কাছ থেকে সেরা পারফরম্যান্স পাওয়া যায়। তাকে অধিনায়কত্বের চাপ দেওয়া উচিত নয়।'
'আমার মতে, এইডেন মার্করাম আরও ভালো অধিনায়ক। সে সাউথ আফ্রিকাকে খুব সফলভাবে নেতৃত্ব দিয়েছে; মানসিকভাবে সে খুব শক্ত, খুব শান্ত-স্থির, আর আমার মনে হয় সে অন্য খেলোয়াড়দের থেকেও সেরাটা বের করে আনতে পারে। তবে এটা বাস্তবে ঘটবে বলে মনে হয় না। এটা শুধু আমার পরামর্শ, কিন্তু আমি যদি সেখানে থাকতাম, তাহলে আমি এটাই করতাম।'
কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে সুপার ওভারে হেরে টানা পাঁচ ম্যাচে হারের স্বাদ পেয়েছে লক্ষ্মৌ। সেখানে দলের ব্যাটিং লাইনআপ কিংবা সুপার ওভারের লাইনআপ সাজানো নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। তাই খুব বেশি দেড়ি হবার আগেই প্রধান কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারকে ব্যাটিং লাইনআপ ঢেলে সাজানোর পরামর্শ জাফরের। এছাড়াও পান্তকে শুধু খেলোয়াড় হিসেবে খেলালেই সর্বোচ্চ উপকৃত হতে পারে দল, এমনটাই মনে করেন সাবেক এই ওপেনার।
জাফর যোগ করেন, 'এই মুহূর্তে লক্ষ্মৌকে পুরোপুরি ছন্দহীন মনে হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে কী আশা করা যায়, সেটাও বোঝা কঠিন। আমি যদি সেই ডাগআউটে থাকতাম, প্রথম কাজই হতো এইডেন মার্করামকে অধিনায়ক করা। আমি ওপেনিং করাতাম মার্করাম এবং মিচেল মার্শকে দিয়ে।
'তিন নম্বরে থাকত নিকোলাস পুরান, এরপর চার নম্বরে ঋষভ পান্ত, পাঁচে আয়ুষ বাদোনি। ছয় নম্বরে থাকত আব্দুল সামাদ, আর সাত নম্বরে মুকুল চৌধুরী। এটাই হতো আমার প্রথম সাত, আর আমি এই ব্যাটিং অর্ডারই ব্যবহার করতাম।'