সবশেষ গত বছর শ্রীলঙ্কা সফরের পর জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েন বিজয়। এরপর বিজয়ের জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ বলেই ধরে নিয়েছেন অনেকে। কিন্তু এখনও হাল ছাড়তে রাজি নন তিনি। ডিপিএলের নতুন মৌসুমে নতুন দল মোহামেডানের হয়ে মাঠে নামার আগে বিজয় জানালেন, জাতীয় দলে বড় একটা সময় খেলার মত সামর্থ্য আছে তার।
গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে বিজয় বলেন, 'আমি জাতীয় দলের আশা তো অবশ্যই করছি, অবশ্যই করি। আমি এই বছরটা শুধু আমাদের বিপিএলটা খেলতে পারিনি, এত বড় একটা আসর। এটা আফসোস আমার আছে এবং থাকবে সবসময়। এ ছাড়া প্রিমিয়ার লীগ সবসময় আলহামদুলিল্লাহ ভালো যাচ্ছে আল্লাহর রহমত করছে এবং আমি চেষ্টা করছি ভালো করার।'
ডিপিএলের দলবদলের পর বিজয় জানিয়েছিলেন ফিক্সিং কান্ডের পুরো বিষয়টি নিয়ে মানসিক ও শারীরিকভাবে বড় ধাক্কা খেয়েছেন তিনি। প্রিমিয়ার লিগের জন্য নিজেকে শতভাগ তৈরি করার কথাও জানিয়েছিলেন এই ব্যাটার। নিজেকে পুরোপুরি প্রস্তুত করে, নিজের সেরাটা দিয়েই ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজের সুনাম ধরে রাখতে চান তিনি।
জাতীয় দলে ফেরার প্রসঙ্গে বিজয় বলেন, 'আমি এখনো চিন্তা করি আমি ৫-৭ বছর যদি পারফরম্যান্স করতে থাকি আমি জাতীয় দলে খেলা ডিজার্ভ করব, যদি আমি এভাবে ফিটনেস এবং পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারি। আরও ৫-৭ বছর তো অবশ্যই জাতীয় দলে খেলতে চাই। সাথে ঘরোয়া ক্রিকেটে যেরকম আমার নাম আছে, যেভাবে আমি সম্মানের সাথে খেলি, সেই সম্মানটা বজায় যেন থাকে সেটার চেষ্টা করব সবসময় পারফরম্যান্স দিয়ে।'
ডিপিএলে এবার শক্তিশালী দল গড়েছে মোহামেডান। মুশফিকুর রহিম, তাওহীদ হৃদয়, রিশাদ হোসেনের মতো জাতীয় দলের তারকাদের সাথে আছেন ঘরোয়া ক্রিকেটের নিয়মিত পারফর্মাররা। তাই এবার দলকে শিরোপা জেতানোর ব্যাপারেও দারুণ আশাবাদী বিজয়।
বিজয় আরো যোগ করেন, 'আমার মনে হয় যে আমাদের দলে যে অভিজ্ঞতাটা আছে সেটাতে আসলে ভুল করার সম্ভাবনা কম। আমাদের মুশফিকুর রহিম মিডল অর্ডারে আছেন, হৃদয় আছেন। সাথে আফিফ আছে, নাইম আছে, আমি আছি, ইমন দারুন ফর্মে আছে। এদিকে তাসকিন আছে, তাইজুল ভাই আছে, তানভীর আছে, রিশাদ আছে। তো এটা দারুণ দল। তো সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় যে এটা একটা ব্র্যান্ড তৈরি হয়ে গেছে মোহামেডান। তো এই মোহামেডান এটা কন্টিনিউ করবে এবং আমরা আশা করি সবাই মিলে দলকে জেতাতে পারব।'