এই আকস্মিক সুযোগটা কাজে লাগাতেই প্রস্তুত হন শরিফুল। খুব বেশি সময় না পেলেও দ্রুত নিজেকে গুছিয়ে নেন। ১৬ মাস পর একদিনের ম্যাচে ফিরে এসে দারুণ বোলিং করেন বাঁহাতি এই পেসার। ১০ ওভারে দুটি মেডেনসহ ২৭ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়ে ছিলেন দলের সেরা বোলার।
ম্যাচের আগের সেই মুহূর্তের কথা জানিয়ে শরিফুল বলেন, 'টস হওয়ার হয়তো দুই-এক সেকেন্ড আগে আমাকে বলা হলো যে আমি খেলব। রিশাদ তখন বলল, ‘হয়তো তোমার রিজিকে আছে।’'
তিনি আরও বলেন, 'আমি ওভাবেই প্রস্তুতি নিয়েছি, তারপর রানআপ মেপেছি, ওয়ার্ম আপ বোলিং করেছি। কাজেই আলহামদুলিল্লাহ… আল্লাহ রিজিকে রেখেছিল, তার জন্য আর কী…।'
মূলত একাদশে থাকার কথা ছিল তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানার। কিন্তু টসের ঠিক আগে হাঁটুর অস্বস্তির কারণে মুস্তাফিজুর ছিটকে গেলে দলে ঢোকেন শরিফুল। কোচ ফিল সিমন্স দ্রুত পরিবর্তিত তালিকা অধিনায়কের হাতে তুলে দেন।
নিজের দীর্ঘ বিরতির কথাও তুলে ধরেন শরিফুল। তিনি বলেন, 'সবশেষ একদিনের ম্যাচ খেলেছিলাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এরপর বেশ কিছুদিন বাইরে ছিলাম। তবে আমি সবসময় নিজের মূল কাজগুলো ঠিকভাবে করার চেষ্টা করেছি।'
তবে ভালো বোলিং করেও দল হারায় আক্ষেপ রয়ে গেছে তার কণ্ঠে। শরিফুল বলেন, 'ব্যক্তিগতভাবে মোটামুটি ভালো করেছি, কিন্তু দল জিততে পারেনি। দিনশেষে এটা অবশ্যই খারাপ লাগার মতো বিষয়।'
পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন কিনা সেটাও অবশ্য জানা নেই শরিফুলের। কেননা আরেক বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজ ইতোমধ্যেই পরের ম্যাচ খেলার জন্য পুরো ফিট হয়ে গেছেন। সেক্ষেত্রে বাদ পড়তে হতে পারে শরিফুলকে।
এই পেসার বলেন, 'পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে যে ১৫ জন স্কোয়াডে আছি, সবাই তৈরি থাকি ম্যাচ খেলতে। এখন সিদ্ধান্ত কোচ নেবে। এটা তো আমার হাতে কিছু নেই। যে দল দেবে, আমরা তা নিয়েই মাঠে নামব।'