দ্বিতীয় বলে লেগ বাই থেকে সিঙ্গেল নিয়ে এরাসমাসকে স্ট্রাইক দেন রুবেন ট্রাম্পেলম্যান। স্ট্রাইক পেয়ে তৃতীয় বলেই ছক্কা মারেন এরাসমাস। যদিও চতুর্থ বলেই এরাসমাসকে ফেরান ডেভিডসন। ৩৪ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে ডানহাতি ব্যাটার ফিরলে সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে উঠে নামিবিয়ার জন্য। পরের ডেলিভারিতে নো বল করেন ডেভিডসন।
ডানহাতি পেসারের ফ্রি হিট বলে ডিলান লাইচার নিয়েছেন দুই রান। সমীকরণ তখন এক বলে ৬ রান। সেই বলে ছক্কা মেরে নামিবিয়ার ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন লাইচার। তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিতলেও স্কটল্যান্ডের কাছে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছে নামিবিয়া।
রান তাড়ায় নামিবিয়াকে ভালো শুরু এনে দেন লরেন স্টিনকেম্প ও জ্যান ফ্র্যাইলিংক। উদ্বোধনী জুটিতে তারা দুজনে মিলে ৫০ রান যোগ করেন। ১২ বলে ২৬ রান করে লরেন ফেরার পর তিনে নামা নিকোল লফটি-ইটন আউট হয়েছেন ১৭ রানে। একপ্রান্ত আগলে রেখে দারুণ ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেন ফ্র্যাইলিংক। তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দিয়েছেন এরাসমাসও।
চতুর্থ উইকেটে তারা দুজনে মিলে নামিবিয়াকে টেনে নিয়েছেন। ৭ চার ও তিন ছক্কায় ৫৩ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলা ফ্র্যাইলিংককে থামান ডেভিডসন। শেষ ওভারে গিয়ে ৪৪ রানে আউট হয়েছেন এরাসমাসও। তবুও শেষ বলে ছক্কা মেরে জয় পেয়েছে নামিবিয়া। স্কটল্যান্ডের হয়ে একাই তিনটি উইকেট নিয়েছেন ডেভিডসন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন ম্যাকেঞ্জি জোন্স ও মার্ক ওয়াট।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ উইকেটে ১৮৬ রান তোলে স্কটল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৪ বলে ১০৮ রানের ইনিংস খেলেছেন জর্জ মানজি। সাতটি ছক্কার সঙ্গে আটটি চার মেরেছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। এ ছাড়া ফিনলে ম্যাকক্রিথ ২৫ ও ম্যাথু ক্রস অপরাজিত ২৩ রান করেছেন। নামিবিয়ার হয়ে দুইটি উইকেট পেয়েছেন ওয়ালডো স্মিথ। একটি করে উইকেট পেয়েছেন জ্যাক ব্রাসেল ও ম্যাক্স হেইঙ্গো।